kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

সম্র্রাট ও আরমানের রিমান্ড আবেদনের শুনানি ১৫ অক্টোবর

সেলিম প্রধানকে রিমান্ডে চায় সিআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সম্র্রাট ও আরমানের রিমান্ড আবেদনের শুনানি ১৫ অক্টোবর

বহিষ্কৃত দুই যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্র্র্রাট ও এনামুল হক আরমানের রিমান্ড (জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজত) আবেদনের ওপর শুনানি আগামী ১৫ অক্টেবর। গতকাল বুধবার ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম এই তারিখ ধার্য করেন। ক্যাসিনো সম্রাট হিসেবে পরিচিত ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্র্র্রাট ছিলেন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি এবং তাঁর সহযোগী আরমান ছিলেন একই সংগঠনের সহসভাপতি।

অনলাইন ক্যাসিনো বা জুয়ার আন্তর্জাতিক গডফাদার ও প্রধান গ্রুপের চেয়ারম্যান সেলিম প্রধানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিতে আবেদন করেছে সিআইডি। গতকাল ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী ওই আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ১৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন। একই সঙ্গে সেলিমকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আরো ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে সম্রাট : শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে আরো ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখছেন চিকিৎসকরা। আজ বৃহস্পতিবার তাঁর বিষয়ে ওই হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ড পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত দেবে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে তাঁকে কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে ঢাকা মেডিক্যাল হয়ে হৃদরোগ হাসপাতালে নেওয়ার পর সিসিইউয়ে রাখা হয়। তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ওই দিন দুপুরে তাঁর জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অবস্থা ভালো থাকলেও ২৪ ঘণ্টা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। গতকাল দুপুর পর্যন্ত প্রথম ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান, মঙ্গলবার রাতে কিছুটা সমস্যা দেখা দেওয়ায় তাঁকে আরো ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখতে হচ্ছে।

ওই মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আফজালুর রহমান গত রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে সম্রাটের হার্টের বিট কিছুটা অনিয়মিত ছিল। ফলে আমরা তাঁকে আরো ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদিও তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষার সব রিপোর্ট ভালোই এসেছে।’

সম্রাটের অস্ত্র ও মাদক আইনের দুই মামলায় ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের এবং আরমানের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল গতকাল। একই সঙ্গে এসব মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের ওপরও শুনানি ছিল। কিন্তু সম্রাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়নি। ফলে সম্রাটকে গ্রেপ্তার দেখানো এবং রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি। আরমানকে অবশ্য মাদকদ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তবে রিমান্ডের আবেদনের ওপর শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুজনের রিমান্ডের শুনানির জন্য আগামী ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী।

গতকাল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ আদালতকে চিঠি দিয়ে জানায়, সম্রাট জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকায় তাঁকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হয়নি। গত ৭ অক্টোবর রাতে রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো এবং ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানায়। আরমানকেও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো এবং ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা