kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ধর্ষণ ও বিয়ে নাটক

ভালুকায় দুই সহোদর গ্রেপ্তার ধর্ষক-বর পলাতক

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়মনসিংহের ভালুকায় ১৪ বছরের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ধর্ষণকারীর রক্ষক দুই সহোদর শফিকুল ইসলাম (২৫) ও বাবুল মিয়াকে (২৩) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ। আর ধর্ষক আমিনুল ইসলাম (২১) পলাতক। অন্যদিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উপজেলার মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের মল্লিকবাড়ী গ্রামে এক মাস আগে এ ঘটনা ঘটে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদীর এক প্রতিবেশীর বাড়িতে এসে ওই শিশুসহ প্রতিবেশীর মেয়েকে আরবি পড়াতেন মল্লিকবাড়ীর চণ্ডীপাড়ার সাঈদ মিয়ার ছেলে আমিনুল ইসলাম। ঘটনার দিন গত ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পড়ানো শেষে ওই শিশুটিকে বাড়ির পথে এগিয়ে দেওয়ার কথা বলে পাশের একটি আখক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করেন আমিনুল। এ সময় শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আমিনুলকে আটক করে। পরে মামলার অন্য আসামিরা খবর পেয়ে এসে আমিনুলকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।

শিশুর বাবা ও মামলার বাদী জানান, তাঁর ওই কন্যাশিশুটি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আমিনুল ইসলামের পক্ষ থেকে তাঁর মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। মেয়ের সম্মান ও ভবিষ্যৎ বিবেচনায় প্রস্তাবে সম্মত হন তিনি। পরে গত মাসের ১২ তারিখে আদালতে গিয়ে আমিনুলের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে দেওয়া হয়। কথা ছিল গত শুক্রবার (৪ অক্টোবর) সামাজিকভাবে বিয়ের মাধ্যমে মেয়েটিকে উঠিয়ে নেবে আমিনুলের পক্ষ এবং এর সব প্রস্তুতিও তাঁরা নিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু সামাজিকভাবে বিয়ে অনুষ্ঠানের আগেই আমিনুলকে ভাগিয়ে দিয়েছে তাঁর স্বজনরা। তাই বর নিরুদ্দেশ থাকায় বিয়েটি অনুষ্ঠিত হতে পারেনি।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মাইনউদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, বাদীর অভিযোগে মামলা নিয়ে এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ওসি জানান, ওই ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) ভালুকা মডেল থানায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় তিন সহোদরসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন মল্লিকবাড়ী চণ্ডীপাড়া গ্রামের সাঈদ মিয়ার ছেলে আমিনুল ইসলাম, তাঁর সহোদর বড় ভাই শফিকুল ইসলাম ও অন্য বড় ভাই বাবুল মিয়া এবং একই গ্রামের শামছুদ্দিন মুন্সির ছেলে আবদুল মান্নান ওরফে মন্নাছ (৪৫)।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা