kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

পুরান ঢাকায় হকারদের ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুরান ঢাকায় হকারদের ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা

রাজধানীর ফুটপাতগুলোর বেশির ভাগই হকারদের দখলে। এর বাইরে মোটরসাইকেলচালকদের দৌরাত্ম্যও আছে। ফলে পথচারীরা প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগে পড়ছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগে হকারদের পূর্বঘোষিত মহানগর পুলিশ উপকমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। গতকাল দুপুরে বিক্ষুব্ধ হকাররা ভিক্টোরিয়া পার্ক থেকে মিছিল নিয়ে সদরঘাট হয়ে জজ কোর্টের সামনে গেলে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। পুলিশি বাধার মুখে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে স্মারকলিপি পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হয়াৎ।

এর আগে পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ বন্ধ, হকার ব্যবস্থাপনার জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন ও পুরান ঢাকার উচ্ছেদকৃত ১০ হাজার হকারকে পুনর্বহাল করার দাবিতে সকাল ১১টায় সদরঘাট ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে বিভিন্ন অঞ্চলের কয়েক হাজার হকার সমবেত হয়ে সমাবেশ করে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হাশিম কবীল। বক্তব্য দেন হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াৎ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নেত্রী শাহিনা আক্তার, কোতোয়ালি থানা কমিটির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান পাটোয়ারী, হকার নেতা মো. রবিন, মো. জাহাঙ্গীর, সামছুল হক মোড়ল, আবুল খায়ের প্রমুখ।

সমাবেশে নেতারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, হকারদের দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকা অচল করে দিয়ে দাবি মানতে বাধ্য করা হবে।

পরে সংগঠনের সদস্যদের একটি প্রতিনিধিদল ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপকমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান করে। স্মারকলিপিতে বলা হয়, সিটি করপোরেশন বা সংশ্লিষ্ট মহল হকারদের কাঁধে যানজটের দায় চাপানোর চেষ্টা করে। অথচ হকার বিষয়টি ফুটপাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। যানজট রাস্তার বিষয়। কোনো সাধারণ হকারের কি সাধ্য আছে রাস্তায় কিছু মালপত্র রেখে বিক্রি করবে? প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও সুষ্ঠু পরিবহনব্যবস্থা চালু করার পরিবর্তে উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে কোনো দিন যানজট সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

এতে আরো বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটির পুরান ঢাকার ১০ হাজার হকার বেকারে পরিণত হয়েছে। এই ১০ হাজার বেকার মানুষ তাদের পরিবারের সদস্য নিয়ে অর্ধাহার-অনাহারে মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে। কেউ কেউ পেটের তাগিদে বিপথে চলে যেতে পারে। এতে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা