kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রাজাপুরে শুভ হত্যাকাণ্ড

মামলা তুলে নিতে পুলিশ কর্মকর্তার হুমকি

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝালকাঠির রাজাপুরে কলেজছাত্র মেহেদী হাসান শুভ হত্যা মামলা তুলে নিতে তার বাবাকে এক পুলিশ কর্মকর্তা হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত অতিরিক্ত উপকমিশনার খন্দকার মো. আরাফাত লেলিন তাঁর এক নিকট আত্মীয়কে বাঁচাতে নিহত শুভর বাবা আব্দুল্লাহ আল মাহবুবকে মুঠোফোনে এই হুমকি দেন।

রাজাপুর প্রেস ক্লাবে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন মাহবুব। পুলিশ কর্মকর্তা আরাফাত লেলিন উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের মো. শফিউল খন্দকারের ছেলে।

লিখিত অভিযোগে আব্দুল্লাহ আল মাহবুব জানান, চলতি বছরের ২৬ মার্চ সকালে বাড়ি থেকে দুই কিলোমিটার দূরে কলাকোপা নামক স্থানে শুভকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে শুভর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে শুভর জবানবন্দি রেকর্ড করে রাজাপুর থানার পুলিশ। জবানবন্দিতে শুভ হত্যাকারীদের নাম প্রকাশ করে। সে অনুযায়ী ঘটনার তিন দিন পর ২৮ মার্চ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে রাজাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন শুভর বাবা মাহবুব। মামলার পরপরই পুলিশ এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। সেই মামলার ৭ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি মো. হেলাল ফকির পুলিশ কর্মকর্তা আরাফাত লেলিনের নিকট আত্মীয়।

লিখিত অভিযোগে মাহবুব আরো জানান, তিন মাস আগে আসামি হেলাল ফকিরকে পুলিশ কর্মকর্তা লেলিন তাঁর বাবার গাড়িচালক হিসেবে নিয়োগ দেন। এরপর গত ২২ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজাপুর মেডিক্যাল মোড় এলাকা থেকে হেলাল ফকিরকে গ্রেপ্তার করে রাজাপুর থানার পুলিশ। সে সময় গাড়িতে পুলিশ কর্মকর্তা আরাফাত লেলিনের বাবা খন্দকার শফিউল উপস্থিত ছিলেন। পরে হেলালের গ্রেপ্তারের বিষয়টি শফিউল তাঁর ছেলে লেলিনকে জানান। পরে লেলিন নিহত শুভর বাবা মাহবুবকে (০১৭১৯৩১০৯০৬) নম্বর থেকে ফোন দিয়ে আসামি হেলালকে ছেড়ে দিতে এবং মামলা তুলে নিতে হুমকি দেন।

এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা আরাফাত লেলিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি। একপর্যায়ে তিনি ফোন কেটে দেন। তাই তাঁর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা