kalerkantho

রবিবার। ১০ নভেম্বর ২০১৯। ২৫ কার্তিক ১৪২৬। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সংবাদের প্রতিবাদ প্রতিবেদকের বক্তব্য

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গত রবিবার কালের কণ্ঠ’র প্রথম পাতায় প্রকাশিত ‘মিল দখল করে সারের গুদাম’ খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছেন খুলনা মহানগর যুবলীগ নেতা সাজ্জাদুর রহমান লিংকন। প্রতিবাদে লিংকন বলেছেন, প্রকাশিত সংবাদের তথ্যগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেছেন, অ্যাজাক্স জুটমিলের অন্যতম মালিক বাগেরহাটের ‘নিউ বসুন্ধরা গ্রুপ’-এর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে সেখানে কিছু সার রাখা হয়। সার রাখলেই একটি মিল দখল করা হয় না। মিলের যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে লিংকন বলেছেন, মিল এলাকার নদীর পাড়ে সার রাখলে যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যায়—এমন বিশেষজ্ঞ মতামত প্রতিবেদক কোথায় পেলেন—তা বোধগম্য নয়। শিরোমণি ঘাট ইজারা প্রসঙ্গে লিংকন বলেছেন, অবৈধভাবে ঘাট দখলের অভিযোগকে তিনি উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তকে অবমাননা করার সামিল বলে মনে করেন।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : অ্যাজাক্স জুটমিলের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কাওসার জামান বাবলা কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, লিংকনকে সার রাখার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। বরং সার সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁকে বারবার অনুরোধ করা হয়েছে। সার সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসক ও খুলনা পুলিশ কমিশনার বরাবর আবেদনও করা হয়েছে। যার কপি কালের কণ্ঠ’র কাছে আছে।

লিংকন মিল এলাকার নদীর পাড়ে সার রাখার দাবি করলেও সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, পুরো মিলজুড়েই সার রাখা হয়েছে। এমনকি মিলের শহীদ মিনারটির চারিদিকেও বিশাল স্তূপ করে সার রাখা হয়েছে। যার ছবিও সংগ্রহ করেছে কালের কণ্ঠ।

শিরোমণি ঘাটটি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে—এটা প্রতিবেদনে বলা হয়নি। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে লিংকনের প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার বিষয়টি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা