kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

লাইনের নাট-বল্টু-ক্লিপ চুরি

জয়দেবপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু রেলসড়কে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রেন

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জয়দেবপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু রেলসড়কে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রেললাইনের বিভিন্ন স্থান থেকে নাট-বল্টু ও ডগস্পাই চুরি হয়ে গেছে। এর সমান্তরালে রেললাইনের বিভিন্ন স্থানে ফিশপ্লেট ছাড়াই কাঠ-পিন স্থাপন করা হয়েছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

এদিকে রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত রেললাইন চেক করার জন্য প্রতি ছয় কিলোমিটার এলাকায় একজন করে কিম্যান নিয়োগ দেওয়া আছে। তাঁদের সকাল ৮টা থেকে বিকেলে ৪টা পর্যন্ত রেললাইন ধরে হেঁটে পরিদর্শন করার কথা থাকলেও কিম্যানরা নিয়মিত রেললাইন পরিদর্শন করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মির্জাপুর রেলওয়ে স্টেশন সূত্র মতে, ২০০৩ সালের জুন মাসে এই সড়কে রেল চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে সড়কটিতে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেসসহ ১৭টি ট্রেন নিয়মিত উভয়মুখী চলাচল করে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী বিরতিহীন আন্ত নগর বনলতা এক্সপ্রেস, বেনাপোল-ঢাকা রুটের বেনাপোল এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড়-ঢাকা স্বল্প বিরতির পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, খুলনা-ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী আন্ত নগর সুন্দরবন ও চিত্রা এক্সপ্রেস, রাজশাহী-ঢাকা সিল্ক সিটি রয়েছে।

গত বুধবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মির্জাপুর রেলস্টেশনের অদূরে রেললাইনের পয়েন্টের (লাইন ভাগ হয়ে যাওয়ার স্থান) উভয় পাশের লাইনগুলো থেকে নাট-বল্টু ও ডগস্পাই (দেখতে কুকুরের মুখের মতো, যা কাঠের স্লিপারের মধ্যে লাইন আটকানোর জন্য ব্যবহৃত হয়) কে বা কারা খুলে নিয়ে গেছে। হেঁটে আরো পশ্চিম দিকে গিয়ে দেখা যায়, সিমেন্টের স্লিপারের সঙ্গে আটকানো রেললাইনের বেশির ভাগ নাট-বল্টু ও ক্লিপ নেই। আর পূর্ব দিকে কাঠের স্লিপারের সঙ্গে আটকানো লাইনের ডগস্পাইও চুরি হয়ে গেছে।

স্টেশনের প্রায় আধাকিলোমিটার পূর্ব দিকে কুমারজানি মধ্যপাড়া এলাকায় রেললাইনের সেতুর পশ্চিম পাশে কমন রেললাইন, গার্ড রেললাইন, ব্রডগেজ রেললাইন, মিটার গেজ রেললাইন কাঠের স্লিপারের সঙ্গে পিন দিয়ে আটকানো হয়েছে। এর মধ্যে আবার ফিশপ্লেট ছাড়াই আটকানো হয়েছে।

গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী নাজিব কায়সার বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যেসব স্থানের লাইনগুলোর নাট-বল্টু ও ডগস্পাই, ফিশপ্লেট নেই ওই সব এলাকা পরিদর্শন শেষে দ্রুততম সময়ে তা লাগানোর ব্যবস্থা করা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা