kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জিআরপি থানায় ধর্ষণ

সাবেক ওসিসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

খুলনা অফিস   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুলনার রেলওয়ে (জিআরপি) থানার সাময়িক বহিষ্কার হওয়া ওসি উসমান গনি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

ধর্ষিতা বাদী হয়ে গতকাল সোমবার খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এ মামলাটি দায়ের করেছেন। এর আগে গত রবিবার একই আদালতে ভুক্তভোগী অভিযোগ দিলে বিচারক মোহা. মহিদুজ্জামান তা পৃথক আদালতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।

গত ২ আগস্ট যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসার পথে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি সদস্যরা ওই গৃহবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করেন। পরে গভীর রাতে জিআরপি থানার ওসি উসমান গনি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য তাঁকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন। পরদিন ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে পাঠানো হয়। ৪ আগস্ট আদালতে জামিন শুনানিকালে থানার ভেতরে ধর্ষণের শিকার হওয়ার বিষয়টি আদালতে তুলে ধরেন তিনি। এরপর আদালতের নির্দেশে ৫ আগস্ট তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের দুটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়। তবে পুলিশের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন গতকাল পর্যন্ত জমা দেওয়া হয়নি।

অভিযুক্ত ওসি উসমান গনি পাঠান ও উপপরিদর্শক নাজমুল হাসানকে ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁদের পাকশী রেলওয়ে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী গত ৯ আগস্ট ওসি উসমান গনিসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে জিআরপি থানায় মামলা দায়ের করেন। তা ছাড়া আদালতেও ঘটনার আদ্যোপান্ত তুলে জবাববন্দি দেন তিনি। পুলিশের মাদক মামলায় গত ২৮ আগস্ট ওই নারী জামিনে মুক্ত হন।

ভুক্তভোগীর আইনজীবী ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার খুলনার বিভাগীয় সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মমিনুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আজ (সোমবার) দুপুরে অভিযোগের শুনানি শেষে বিচারক মোহা. মহিদুজ্জামান আরজিটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় ওসি ছাড়া আর কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। বাদী তাঁদের দেখলে চিনতে পারবেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা