kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ধর্ষকের সঙ্গে বাল্যবিয়ে

এসআই মাইনুলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি

লালমনিরহাট প্রতিনিধি   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লালমনিরহাটে আলোচিত সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর পর ধর্ষকের সঙ্গে বাল্যবিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এসআই মাইনুল ইসলামের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ওই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এসআই মাইনুলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ওই ঘটনার পর স্কুলছাত্রীর বাবার থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল একজন এএসআইকে। সেই তদন্তে অযাচিতভাবে এসআই মাইনুল হস্তক্ষেপ করেছিলেন বলে সদর থানা সূত্রে জানা গেছে।

গ্রেপ্তার প্রাইভেট শিক্ষক শাহিন আলমের ওই ছাত্রীকে কয়েক দফা ধর্ষণ, গর্ভপাত ইত্যাদি বিষয় মামলার নথিভুক্ত না করে এসআই মাইনুলের মধ্যস্থতায় বাল্যবিয়ের ঘটনাটি ছাত্রীর বাবা গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে জানান। ওই সূত্র ধরেই বিষয়টি প্রকাশ পায় গণমাধ্যমে। তার পরই তোলপাড় শুরু হলে নড়েচড়ে বসে পুলিশ। পরে অভিযোগটি নথিভুক্ত করা হয়। এরপর ওই প্রাইভেট শিক্ষকসহ কাজিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) এস এম শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গত ১৮ সেপ্টেম্বর এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গতকাল সোমবার লালমনিরহাটের এসপির কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এসআই মাইনুল ইসলাম ধর্ষণ ও গর্ভপাতের শিকার অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্রীটির পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টো ধর্ষকের সঙ্গে তার বিয়ে দেন। এ ঘটনায় পুলিশের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র মতে, ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা গত ১১ আগস্ট সদর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগটি দিয়েছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা