kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

তেঁতুলিয়ায় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবলীগের এক নেতা এবং তাঁর সহযোগীদের নামে মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘সিমপা সোলার পাওয়ার প্লান্ট’। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, মামলা করার পর থেকে তাদের কর্মীদের আসামিরা নানা ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।

অভিযুক্ত ওই যুবলীগ নেতার নাম আশরাফুল ইসলাম। তিনি উপজেলার শালবাহান ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক। চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেছেন, পাওনা টাকা চাওয়ায় তাঁর নামে মামলাটি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, আশরাফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাঝিপাড়ার প্যারাগন গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাকুয়া ব্রিডার্স লিমিটেড’-এর কাছ থেকে চাঁদা নেন। প্যারাগন গ্রুপ সম্প্রতি ‘সিমপা সোলার পাওয়ার প্লান্ট’ গড়ে তোলে। আশরাফুল ইসলাম ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে তিনি প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন।

ওই রাতেই আশরাফুল ও তাঁর সহযোগী আজাহার আলী, কাজিরুল ইসলাম, আলী হোসেনসহ ১০-১২ জন ডাহুক সেতুর সামনে অ্যাকুয়া ব্রিডার্সের মুরগি বহনকারী একটি ট্রাক থামান। এরপর চালক ও নিরপত্তাকর্মীদের মারধর করে ৪২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। এমনকি বিষয়টি প্রকাশ করলে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনার পরদিন তাঁদের বিরুদ্ধে তেঁতুলিয়া থানায় মামলা করেন সিমপা পাওয়ার প্লান্টের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম। এরই মধ্যে মাঝিপাড়া এলাকার আলী হোসেন ও প্রামানিকপাড়ার শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সিমপা পাওয়ার প্লান্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন, মামলা তুলে নিতে আসামিপক্ষের লোকজন নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। তাঁদের ভয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাইরে যেতে পারছেন না। বিদেশি প্রকৌশলীরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি জহুরুল ইসলাম বলেন, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। মূল আসামি আশরাফুল পলাতক রয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা