kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

কক্সবাজারে ওবায়দুল কাদের

মাস্তান যত বড়ই হোক ছাড় নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য দলের ভেতরে গজিয়ে ওঠা আগাছা-পরগাছা পরিষ্কার করতে অ্যাকশন শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই অ্যাকশন শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশে চলবে। এই অ্যাকশনের মাধ্যমে টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে। মাস্তান যত বড়ই হোক, যত বড় নেতাই হোক, যত বড় প্রভাবশালী হোক—কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধ ও অপকর্মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নিয়ে অগ্রসর হচ্ছেন শেখ হাসিনা। সব অপকর্মের শাস্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

গতকাল শনিবার বিকেলে কক্সবাজার সাগরপারের পর্যটন গলফ মাঠে জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তিন দিনের সফরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক গতকাল শনিবার কক্সবাজারে পৌঁছান।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলের অগণিত কর্মীরাই হচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রাণ। কর্মীদের প্রাণশক্তির জন্যই শেখ হাসিনা ওয়ান-ইলেভেনের সেই দুঃসময় থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। এভাবে এই কর্মীরাই আওয়ামী লীগকে বাঁচিয়ে রেখেছে। দুর্যোগে-দুঃসময়ের কর্মীরাই হচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রাণশক্তি।

দেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, মানবতার দিক বিবেচনায় নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আমরা আশ্রয় দিয়েছি। তার মানে এই নয় যে তাদের আমরা চিরদিন রাখব। সেটা আমাদের পক্ষে সম্ভব না, কিন্তু এই নিয়ে রাজনীতি করছে বিএনপি। তারা ওই সময় রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিশ্বের কাছে নালিশ দিয়েছিল। আর এখন তারা রোহিঙ্গাদের নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। কিন্তু আমরা তা হতে দেব না। তাদের যেকোনো মূল্যে ফেরত পাঠাতে কাজ করছে সরকার। এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের আরো অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি রোহিঙ্গাদের উসকানি দিচ্ছে যাতে তারা অস্থিরতা সৃষ্টি করে। অনুরূপ মিয়ানমারকেও বিএনপি উসকানি দিচ্ছে যাতে তারা অস্ত্র হাতে তুলে নেয়।

দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যেকোনো মূল্যে দলের এই সংকটে ও সন্ধিক্ষণে দলের আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বরের জাতীয় সম্মেলন সফলভাবে করা হবে। তাই আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। কেউ কোনোভাবে বিভেদ সৃষ্টি করবেন না। কলহ, কোন্দল পরিহার করে আওয়ামী লীগকে এক রাখবেন।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, উপদপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। সভায় বক্তব্য দেন স্থানীয় এমপি আশেক উল্লাহ রফিক, জাফর আলম, সাইমুম সরওয়ার কমল, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা