kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

পিএসসি বাতিলের দাবিতে ২৮ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আয়োজিত সংলাপে বক্তারা ‘পিএসসি ২০১৯’কে গণবিরোধী ও রপ্তানিমুখী গ্যাস চুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। এ দাবি আদায়ে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনের প্রগতি সম্মেলনকক্ষে ওই সংলাপ সঞ্চালনা করেন জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। এতে বক্তব্য দেন অধ্যাপক এম এম আকাশ, প্রকৌশলী কল্লোল মোস্তফা, মাহা মির্জা, সাইফুল হক, রুহিন হোসেন প্রিন্স, আরিফুজ্জামান তুহিন, জুলফিকার আলী, খান আসাদুজ্জামান মাসুম প্রমুখ।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘স্থলভাগ ও সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে জাতীয় সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আমরা অনেক দিন থেকেই দাবি জানিয়ে আসছি। সরকার এ পথে কখনো যায়নি বরং সক্ষমতা যতটুকু আছে, তা আরো সংকুচিত করা হয়েছে। জাতীয় সংস্থাকে সুযোগ না দিয়ে কয়েক গুণ বেশি খরচে বিদেশি কম্পানিকে কাজ দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রের সম্পদ অনুসন্ধানে উদ্যোগ না নিয়ে গ্যাস সংকট জিইয়ে রাখা হয়েছে। তারপর এর অজুহাতে কয়েক গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, শুধু তা-ই নয়, গ্যাস সংকটের অজুহাতে ব্যাপকভাবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হচ্ছে, এমনকি দেশের প্রাকৃতিক রক্ষা বাঁধ সুন্দরবন ধ্বংস করতেও সরকারের দ্বিধা নেই।

অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে দেশের গ্যাস সম্পদ জনগণের স্বার্থে কাজে লাগাতে চাইলে সরকারকে অবশ্যই জাতীয় প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা-সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ জন্য দুর্নীতি কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। এটি না করে সরকার বিদেশি কম্পানির ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে, গ্যাসের দাম বাড়িয়ে জনগণকে নানা ভোগান্তিতে ফেলছে।

সংলাপ থেকে সমুদ্রের গ্যাস রপ্তানিমুখী পিএসসি-২০১৯ ও সুন্দরবন বিনষ্টকারী রামপাল প্রকল্প বাতিল ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে ২৮ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ওই কর্মসূচি সফল করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা