kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ধান বিক্রির স্লিপের দ্বন্দ্বে একজনের প্রাণহানি

লালমনিরহাট প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকারি গোডাউনে ধান বিক্রির স্লিপ নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে নারী ইউপি সদস্যের ছেলেদের পিটুনিতে আরেক ইউপি সদস্যের ভাই আব্দুর রহিম (৪৫) নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দুপুরে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের লোহাখুচি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। রহিম গোড়ল ইউনিয়নের দুলালী গ্রামের তালেব আলীর ছেলে। তিনি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মফিজ উদ্দিনের মামাতো ভাই। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নারী ইউপি সদস্য জাহানারা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, কৃষকদের সরবরাহের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইউপি সদস্যদের মাঝে সরকারি গোডাউনে ধান বিক্রির স্লিপ সরবরাহ করা হয়। সেই হিসাবে অন্যদের মতো ইউপি সদস্য মফিজ উদ্দিন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য জাহানারা বেগমও নির্দিষ্টসংখ্যক স্লিপ বরাদ্দ পান। তবে মফিজ উদ্দিনের বরাদ্দ থেকে জাহানারা বেগমের বড় ছেলে খালেকুজ্জামান মৌসুম স্লিপ দাবি করেন। কিন্তু মফিজ উদ্দিন সেই স্লিপ না দেওয়ায় উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে গতকাল দুপুরে ইউপি সদস্য মফিজ লোহাখুচি বাজারে এলে তাঁর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় জাহানারা বেগমের ছেলে মৌসুম, সাগর ও টগরের। পরে খবর পেয়ে সেখানে হাজির হয় মফিজ উদ্দিনের মামাতো ভাই আব্দুর রহিম ও তাঁর ভাই গফুর বাদশা। এ সময় নারী ইউপি সদস্যের ছেলেরা ইউপি সদস্য মফিজের ওপর হামলা চালাতে গেলে এগিয়ে আসেন রহিম ও তাঁর ভাই। এ সময় তাঁদের দুজনকে পিটিয়ে চলে যান জাহানারাসহ তাঁর ছেলেরা। পরে রহিমকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

কালীগঞ্জ থানার ওসি আরজু মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহানারা বেগমকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা