kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান শুরু রবিবার

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৮৩টি স্থানে পর্যায়ক্রমে এ অভিযান পরিচালনা করবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সমন্বিত অভিযানে যাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আগামী রবিবার থেকে সব কয়টি ওয়ার্ডে অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন ডিএনসিসি মেয়র। অভিযান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ডিএনসিসিকে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন মহানগর পুলিশ, কাউন্সিলর এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যরা। গতকাল মঙ্গলবার ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিএনসিসির তথ্য অনুযায়ী, ডিএনসিসির সব কয়টি ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করা হয়েছে। ফুটপাত দখল করে নানা স্থাপনা বানিয়ে নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে। রাস্তা ও ফুটপাতে উন্নয়নকাজ করা হলেও তার সুবিধা ভোগ করতে পারছে না নগরবাসী। এ ছাড়া সিটি করপোরেশন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেও অল্প সময় পরে আবারও দখল করা হয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, পুলিশ এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের কারণে তা দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হচ্ছে না। অবৈধভাবে দখলে থাকা ডিএনসিসির ৮৩টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে চায় সংস্থাটি। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং থানার ওসি অভিযানে সব ধরনের সহযোগিতা দেবেন। সভায় উপস্থিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং সংসদ সদস্যরা মেয়রের উপস্থিতিতে অবৈধ স্থাপনা স্থায়ীভাবে উচ্ছেদে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। উচ্ছেদ করার পর ফুটপাত ও রাস্তা স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত রাখতে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইতিমধ্যে ২৮১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা সমমূল্যের জমি উদ্ধার করা হয়েছে। ফুটপাত দখলমুক্ত করার ক্ষেত্রে কাউন্সিলর ও পুলিশ একে অন্যকে দোষারোপ করেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন ফুটপাত স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত করতে। আগামী রবিবার থেকে সবাইকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হকার কে বা কারা বসাচ্ছে তা নিয়ে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দোষারোপ করে। আমাদের এখন একটি সিদ্ধান্তে আসতেই হবে। সেটি হলো জনগণের চলাচলের রাস্তা পরিষ্কার রাখা। সিটি করপোরেশন যেভাবে চাইবে অভিযানে সেভাবেই সহযোগিতা করবে পুলিশ।’

সভায় ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন খান পাঠান (ফারুক), ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, কাউন্সিলর এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা