kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

অর্থ আত্মসাতের মামলায় এসবি গ্রুপের ২ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টেরাকোটা টাইলস রপ্তানির নামে কমার্স ব্যাংক থেকে ২৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং অবৈধভাবে উপার্জিত এক কোটি সাত লাখ ৫২ হাজার মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে এসবি গ্রুপের দুই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাঁরা হলেন এসবি গ্রুপের ম্যানেজার মো. ইউসুফ হোসেন রোবেল (৪২) এবং কমার্শিয়াল অফিসার মো. ইমরান মীর (৩৭)। গতকাল সোমবার রাজধানীর শান্তিনগর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিআইডি। 

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএস-অর্গানাইজ ক্রাইম) মোস্তফা কামাল জানান, এসবি এক্সিম বাংলাদেশ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ও কমার্স ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তার যোগসাজশে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পলাতক বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সিআইডি সূত্র জানায়, অভিযুক্তরাসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময়ে পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া রপ্তানিসংক্রান্ত কাগজপত্র তৈরি করে। এরপর রপ্তানি না করেই ১৮৮টি রপ্তানি বিলের মাধ্যমে প্রায় ২৩৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন তাঁরা। এ ছাড়া বিদেশে পণ্য রপ্তানি না করেই রপ্তানি বিল বাবদ এক কোটি পাঁচ লাখ দুই হাজার মার্কিন ডলার অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ বিদেশ থেকে দেশে নিয়ে আসেন তাঁরা। এ ছাড়া দুই লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করেছে।

গতকাল সন্ধ্যায় পাঠানো সিআইডির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসবি এক্সিম বাংলাদেশের মালিক শাহজাহান বাবলুর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিল থানায় দুর্নীতি দমন আইনেও মামলা রয়েছে। এসবি এক্সিম যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশের আমদানিকারকদের কাছে মাটির টেরাকাটা টাইল্স রপ্তানির নামে এই বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে।

প্রাথমিক তদন্ত শেষে সিআইডি সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির তেমন কোনো অস্তিত্ব না থাকলেও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে কমার্স ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন, বাইরে থেকে অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন ও হুন্ডির মাধ্যমে অর্থপাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া অসাধু ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা