kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

হিজলায় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে এক বাড়িতে হামলা

বরিশাল অফিস   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের মাউনতলা গ্রামের এক বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হামিম ঘরামীর নেতৃত্বে গতকাল সোমবার বিকেলে এ হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ওই গ্রামের মহসিন ঘরামীর বাসায় হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি অর্থ লুট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী হিজলায় কর্মরত এক টেলিভিশন সাংবাদিক কালের কণ্ঠকে বলেন, মহসিন ঘরামীর বাসায় ভাঙচুরের চিহ্ন দেখা গেছে। আসবাবপত্রগুলো ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘরের প্রবেশদ্বারে টিনের দেয়ালে ধারালো অস্ত্রের আঘাত দেখা গেছে। এ ছাড়া ঘরের মালামাল তছনছ অবস্থায় রয়েছে। মহসিনের স্ত্রী আমেনা বেগমকে ঘরের এক কোণে ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় দেখা গেছে। প্রতিবেশীরা জানায়, মহসিনের বাসায় একদল অপরিচিত যুবক হঠাৎ হামলা করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত মহসিন ঘরামী বলেন, রাস্তায় চলাচলকে কেন্দ্র করে গতকাল সকালে দূর সম্পর্কের আত্মীয় হামিম ঘরামীর সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। ওই ঘটনার পর প্রতিবেশীরা দুজনের মধ্যে ঝগড়া মিটিয়ে দেয়। এর জের ধরে বিকেল পৌনে ৩টার দিকে হামিমের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী তাঁর বাসা ঘেরাও করেন। আত্মরক্ষার্থে তিনি ঘরের এক কোণে লুকিয়ে পড়েন। তাঁকে না পেয়ে হামলাকারীরা ঘরের ভেতর ঢুকে বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। তখন তাঁর স্ত্রী আমেনা বেগম এগিয়ে এলে ছাত্রলীগের কর্মীরা তাঁকে লাঞ্ছিত করেন।

মহসিন ঘরামী অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাঁর ঘর থেকে টাকা-পয়সা লুট করে নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় তিনি থানায় যোগাযোগ করেছেন। থানা পুলিশ তাঁকে অভিযোগ নিয়ে যেতে বলেছে।

হামলার কথা অস্বীকার করে হামিম ঘরামী বলেন, সকালে রাস্তা দিয়ে তিনি বাজারে যাচ্ছিলেন। তখন হঠাৎ করেই মহসিন তাঁকে মা-বাপ তুলে গালাগাল দিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে কাঠের একটি খণ্ড দিয়ে তাঁকে আঘাত করেন। সেই আঘাতে তাঁর হাতে গুরুতর জখম হয়। বিষয়টি ছাত্রলীগের ইউনিয়ন সভাপতি এইচ এম মন্নানসহ অন্যরা জেনে বিকেলের দিকে তাঁকে দেখতে আসেন। তখন দলীয় নেতাকর্মীরা বিষয়টি জানার জন্য মহসিনের বাসায় যান। তখন মহসিন বাসায় ছিলেন না। পরক্ষণেই তাঁরা চলে আসেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা