kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফেসবুকে মন্ত্রীকে ‘কটূক্তি’

সাময়িক বরখাস্ত ডেপুটি জেলার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সেই অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন সাতক্ষীরার ডেপুটি জেলার ডলি আক্তার ওরফে মেহেজাবিন খান। ওই অনুষ্ঠানের ছবি ফেসবুকে দিয়ে স্ট্যাটাসও দিয়েছিলেন। সেই স্ট্যাটাসে অন্য এক নারী ‘মন্ত্রী’ বানান ভুল লিখেছে বলায় ক্ষেপে গিয়ে মন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করে বসেন তিনি। সেই অপরাধে গতকাল তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কারা অধিদপ্তর। তাঁকে সাতক্ষীরা থেকে কারা অধিদপ্তরে সংযুক্ত করার বিষয়টি গতকাল রাতে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত আইজি প্রিজন্স কর্নেল আবরার হোসেন।

সূত্র জানায়, গত ১ সেপ্টেম্বর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের একটি অনুষ্ঠানে ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব পালন করেন ডলি। ধারাভাষ্য দেওয়ার মুহূর্তে নিজের সেলফি তুলে রাখেন ডলি আক্তার। ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪৯ মিনিটে তিনি তাঁর ব্যবহৃত ডলি মেহেজাবিন খান নামের ফেসবুকে সেই ছবিটি পোস্ট করেন। সেখানে মন্ত্রী বানান ভুল হওয়ায় তা শোধরানোর জন্য তাঁর এক ফেসবুক ফ্রেন্ড অনুরোধ জানান। তার জবাব দিতে গিয়ে ডেপুটি জেলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করেন।

পরে বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গতকাল তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে কারা অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও হয়েছে। সেটিরও তদন্ত চলছে। এক কারা কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানান, খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ডলি আক্তারের পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ডলি আক্তার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে কারা অধিদপ্তরে চাকরি নেন। ডলি জানিয়েছেন, তিনি ইচ্ছা করে এটা করেননি। এক ফেসবুক ফ্রেন্ড তাঁকে উসকে দিয়ে কথা বলার কারণে তিনি নিজের অজান্তে লিখে ফেলেছেন। এ কারণে ডলি ক্ষমাও চেয়েছেন কারা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা