kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নান্দাইলে ধর্ষণ

বিচার সালিসে জুতাপেটা অর্থদণ্ড

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘরে একা পেয়ে প্রতিবেশী এক ব্যক্তি প্রতিবন্ধী এক শিশুকে (১২) ধর্ষণ করে। এ ঘটনার দুই দিন পর শিশুটির বাড়িতে বসেই অভিযুক্ত ধর্ষককে জুতাপেটা, কান ধরে উঠবোস ছাড়াও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে ছেড়ে দেয় সালিসকারীরা। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই শিশুটিকে উদ্ধার করে মামলা নেয়। গতকাল রবিবার সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইলের মুশল্লী ইউনিয়নের পূর্ব কামালপুর গ্রামে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, ওই শিশুসহ তার পরিবারের তিন সদস্য শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী। তাঁরা সরকারি কোনো ভাতা পান না। সম্পদ বলতে ১০ শতক জমির ওপর ছোট একটি কুঁড়েঘর। এক বোন ঢাকায় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চাকরি করেন।

শিশুটির বোন জানান, শারীরিক অসুস্থতার জন্য এক মাস ধরে ঢাকা থেকে তিনি বাড়ি চলে আসেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে মানত নিয়ে যান। বাবা ও দুই ভাই কাজের জন্য বাড়ির বাইরে গেলে বাড়িতে ছিল শুধু ওই শিশুটি। এই সুযোগে পাশের বাড়ির নায়েব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৮) তাঁদের ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী ছোট বোনকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। বিকেলে বাড়িতে এলে সে নির্যাতনের ঘটনা জানিয়ে রফিকুলের নাম বলে। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম ঘটনাটি জানলেও কোনো ব্যবস্থা নেননি। এই সুযোগে গ্রামের সালিসকারীরা গত শনিবার বিকেলে বাড়িতে এসে অভিযুক্ত ধর্ষক রফিকুলকে ডেকে এনে ঘটনার সত্যতা জানতে পারে। পরে তাত্ক্ষণিক বিচারের নামে তাঁকে কান ধরে উঠবোস, জুতাপেটা ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে ছেড়ে দেয়।

নান্দাইল থানার ওসি মনসুর আহাম্মাদ জানান, তাত্ক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে মামলা নেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা