kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

তাজিয়া মিছিলে ধারালো অস্ত্র লাঠি নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আগামীকাল মঙ্গলবার পবিত্র আশুরা। এ উপলক্ষে তাজিয়া মিছিলে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ ছাড়া তাজিয়া মিছিল ও অন্যান্য অনুষ্ঠান ঘিরে ডিএমপির পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জঙ্গি হামলার আশঙ্কা থেকেই এই নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তাজিয়া শোক পালিত হবে। পুরো অনুষ্ঠান সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। অনুষ্ঠানে যোগদানকারীদের প্রত্যেককে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে দেহ তল্লাশি করে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করানো হবে। ডিএমপির ডগ স্কোয়াড অনুষ্ঠান শুরুর আগে প্রতিটি অনুষ্ঠানস্থল সুইপিং করবে। যেসব রুট দিয়ে শোক মিছিল যাবে সেসব রুটে থাকবে রোড ব্যারিকেড ব্যবস্থা, গাড়ি ও ফুট প্যাট্রলিং। মিছিলের আগে, মাঝে, পাশে ও পেছনে থাকবে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শোক মিছিলের নিরাপত্তায় সাদা পোশাকে ও ইউনিফর্মে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। 

এ ছাড়া গতকাল রবিবার ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তাজিয়া মিছিলে পাইক দলভুক্তরা দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি নিয়ে অংশগ্রহণ করে ক্ষেত্রবিশেষে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, যা ধর্মপ্রাণ ও সম্মানিত নগরবাসীর মনে আতঙ্ক ও ভীতি সৃষ্টিসহ জননিরাপত্তার প্রতি হুমকিস্বরূপ। তা ছাড়া মহররম মাসে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো হয়, যা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ডিএমপি এলাকায় সম্মানিত নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাজিয়া মিছিলে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। এই আদেশ তাজিয়া মিছিলের শুরু থেকে শেষ সময় পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।’

নিরাপত্তার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে গত শনিবার পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ইমামবাড়াকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা