kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

খুলনায় আসামির স্ত্রীকে দলবদ্ধ ‘ধর্ষণ’

সাভারে শ্রমিক ধর্ষিত গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা ও সাভার (ঢাকা)   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুলনার দাকোপে এক আসামির স্ত্রী এবং ঢাকার সাভারে এক শ্রমিককে দলবদ্ধ হয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার ও

শুক্রবার রাতে এসব ঘটনা ঘটে। সাভারের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দাকোপ উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন একটি গ্রামে শুক্রবার রাতে আসামির স্ত্রী গৃহবধূকে তিন যুবক ‘ধর্ষণ’ করে। তিনি খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (খুমেকে) ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।

খুমেকে গৃহবধূর সঙ্গে আসা তাঁর শাশুড়ি বলেন, তাঁর ছেলে একটি মামলায় কারাগারে আছে। শুক্রবার তিনি ও তাঁর স্বামী ছেলের জামিনের বিষয়ে পরিচিত একজনের সঙ্গে কথা বলতে বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন। এ সময় তাঁর পুত্রবধূ বাড়িতে একা ছিলেন। এ সুযোগে নলিয়ান গ্রামের ইবাদুল গাজীর দুই ছেলে শরীফুল গাজী (৩০) ও সাইফুল (২২) এবং তাদের বন্ধু আবির শিকদার তাঁর ছেলের জামিনের বিষয়ে কথা বলবে বলে গৃহবধূর ঘরে ঢোকেন। পরে তারা ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে। গৃহবধূর চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টায় তাঁকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল শনিবার তাঁকে ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা করবেন বলে জানান শাশুড়ি।

সাভারে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পোশাক শ্রমিককে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে চারজনকে শুক্রবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে শাওন ওরফে মেম্বার (২০), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের কুতুবপুর গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে সুমন (৩২), শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার বড়িরহাট গ্রামের সেলিম ফরাজির ছেলে ইলিয়াস হোসেন (১৮) এবং নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার গোবরচাপা গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আরিফ (৩০)।

শুক্রবার সন্ধ্যায় দেওয়া এজাহারের বরাতে সাভার মডেল থানার ওসি এ এফ এম সায়েদ জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একজন নারী পোশাক শ্রমিক উলাইল এলাকার কর্মস্থল থেকে কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। পথে এক বন্ধুর সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। বন্ধুর সঙ্গে আলাপ করতে করতে বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে শাওন তাঁদের গতি রোধ করে। এরপর শাওন ওই বন্ধুকে পিটিয়ে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। পরে ওই নারীকে শাওনসহ কয়েকজন দলবদ্ধ হয়ে ধর্ষণ করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা