kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা

তিন প্রদর্শনীর পর্দা নামল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তিন প্রদর্শনীর পর্দা নামল

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুনন্ধরায় গতকাল পোশাকশিল্প প্রদর্শনীর শেষ দিনে স্টলে পণ্য বাছাইয়ে ব্যস্ত এক বিদেশি তরুণী। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত চার দিনব্যাপী আয়োজিত তিনটি প্রদর্শনী গতকাল শনিবার শেষ হয়েছে। প্রদর্শনীগুলো হলো, ‘২০তম টেক্সটেক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০১৯’, ‘১৬তম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার্ন অ্যান্ড ফ্যাব্র্রিক শো ২০১৯’ ও ‘৩৮তম ডাই-ক্যাম বাংলাদেশ এক্সপো ২০১৯’। এসব প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, চীন, ভারত, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান, জাপান, তুরস্ক, ইতালিসহ ২৫টি দেশের এক হাজার ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের এক হাজার ৫০০টি স্টল ছিল। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো টেক্সটাইল ও গার্মেন্টশিল্পের আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি, বিভিন্ন রকম সুতা, ডেনিম, নিটেড ফ্যাব্রিকস, ফ্লিস, ইয়ার্ন অ্যান্ড ফাইবার, আর্টিফিশিয়াল লেদার, এমব্রয়ডারি, বাটন, জিপার, লিনেন ব্লেন্ডসহ অ্যাপারেল পণ্য প্রদর্শন করছে।

গতকাল প্রদর্শনী প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, প্রথম তিন দিনের মতো শেষ দিনেও বিভিন্ন স্টলে ছিল ক্রেতাদের ভিড়। বেশির ভাগ স্টলে একাধিক ব্যক্তির বসার সুব্যবস্থা ছিল। অনেকে বসে আবার কেউ কেউ স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। অনেক ক্রেতা স্টলে প্রদর্শিত পণ্যের স্যাম্পল যাচাই করে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছিল। তারা পরে যোগাযোগ করবে বলে নিজেদের ঠিকানা দিয়ে যাচ্ছে।  

আয়োজক প্রতিষ্ঠান সেমস গ্লোবালের ব্যবস্থাপক নাবিল ইসলাম বলেন, ‘নতুন বাজার সম্প্রসারণে এবারের প্রদর্শনীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে দেশের ক্রেতারা। তারা সহজে এখানে এসে বিভিন্ন বিক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়েছে। গত চার দিন স্টলগুলোতে ক্রেতার ভিড় ছিল উপচে পড়া। অনেকে পণ্যের নমুনা নিয়ে গেছে। তারা পরে বিক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে বলে জানিয়েছে। অনেক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান প্রদর্শনীর মধ্যেই তাদের ব্যাবসায়িক বৈঠক সেরে নিয়েছে। অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি কম্পানির প্রতিনিধিরা এ আয়োজনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।’

মেলায় অংশগ্রহণকারী চীনের কাপড় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সুনিংতা লিমিটেডের প্রতিনিধি জিজাউসিং বলেন, ‘তিন বছর ধরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এসব প্রদর্শনীতে আমাদের প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। বিগত দিনের মতো এবারও আমাদের প্রতিষ্ঠান একাধিক নতুন ক্রেতা পেয়েছে। এসব ক্রেতার সঙ্গে পরে যোগাযোগ করা হবে।’

প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী আরেক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ফারিয়া লিমিটেডের প্রতিনিধি সাইদুর রহমান বলেন, ‘বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির পরিবেশ আন্তর্জাতিক মানের। এখানে অংশগ্রহণ করার পর বিদেশি অনেক ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। এখানে নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার। ভবিষ্যতে এসব প্রদর্শনী আরো বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে বলে আশা করছি।’       

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক শিল্প খাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে উদ্যোক্তাদের সচেতন করতে এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে এবারের প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা