kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নীরবে সংগঠিত হচ্ছে ‘আল্লাহর দল’

নেতাকে ছিনিয়ে নিতে প্রিজন ভ্যানে হামলার ছক!

রেজোয়ান বিশ্বাস   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নীরবে সংগঠিত হচ্ছে জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দল। নিষিদ্ধ না হওয়ায় তাদের দিকে তেমন নজর নেই গোয়েন্দাদের। তবে সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া সংগঠনটির আট সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাব জানতে পেরেছে, কারাগার থেকে দলনেতা মতিন মেহেদীকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। আসামি আনা-নেওয়ার গাড়ি বা প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে এই ভয়ংকর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে তারা। মাঠপর্যায়ে তৎপর থাকা সংগঠনটির কয়েক শ সদস্যের মধ্যে সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাছাই করা একটি টিম এ হামলা চালাবে। তাদের রয়েছে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল মো. সারোওয়ার বিন কাশেম জানান, আল্লাহর দল প্রিজন ভ্যানে হামলার পাশাপাশি সারা দেশে নাশকতার পরিকল্পনা করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। এই জঙ্গি সংগঠন এরই মধ্যে অনেক নতুন সদস্য তৈরি করেছে। তাদের আর্থিক মূলধনও পর্যায়ক্রমে বেড়েছে। এর একটি বড় অংশ নামে-বেনামে দেশের বেশ কয়েকটি ব্যাংকে গচ্ছিত রেখেছে তারা। মূলত দেশে নাশকতা সৃষ্টি ও সরকার উত্খাতের অপকর্মে এই অর্থ ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

গত ১৫ দিনের মধ্যে দুই দফা রাজধানীর দক্ষিণখান ও হাতিরঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আল্লাহর দলের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তাদের মধ্যে ১৯ আগস্ট হাতিরঝিল এলাকা থেকে দলটির ভারপ্রাপ্ত আমির ইব্রাহিম আহমেদ হিরো, নেতা আব্দুল আজিজ, শফিকুল ইসলাম সুরুজ ও রশিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যে গত ২৫ আগস্ট ভোরে দক্ষিণখান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সংগঠনের অন্যতম সদস্য সিরাজুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান মনির, এস এম হাফিজুর রহমান সাগর ও শফিউল মুজনাবীন তুরিনকে। মতিন মেহেদীর অনুপস্থিতিতে ইব্রাহিম আহমেদ হিরো দলের ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

২০০৭ সালে ধানমণ্ডির গ্রিন রোডের সরকারি কোয়ার্টার থেকে আল্লাহর দলের প্রধান মতিন মেহেদীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তিনি একসময় জাতীয় সংসদের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমানে একটি মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়ে টাঙ্গাইল কারাগারে বন্দি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা