kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ঢাকা-রাজশাহী রেলপথ

কিছুতেই বাগে আসছে না ট্রেনের সময়সূচি!

রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঈদুল আজহার যাতায়াত মৌসুম শেষ হলেও ঢাকা-রাজশাহী রেলপথে ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যয় কাটেনি। বিরতিহীন ‘বনলতা এক্সপ্রেসও’ও থামছে চার-পাঁচটি রেলস্টেশনে। জানা গেছে, অন্য ট্রেনকে ক্রসিংয়ের সুযোগ দিতে গিয়ে বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেসকে চলতে হচ্ছে থেমে থেমে। এ ছাড়া সিল্কসিটি, ধূমকেতু ও পদ্মা এক্সপ্রেস চলছে লোকাল ট্রেনের মতো। প্রতিটি ট্রেন চলাচলে গড়ে দেড়-দুই ঘণ্টা দেরি হচ্ছে। তবে ঈদুল আজহার মৌসুমের তুলনায় সময়সূচি বিপর্যয় ৯০ শতাংশ কমেছে বলে দাবি পশ্চিম রেলওয়ে কর্মকর্তাদের।

পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) খন্দকার শহিদুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী আফজাল হোসেন ও প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মৃণাল কান্তি বণিককে বদলি করা হয়েছে। জানা গেছে, সময়সূচি বিপর্যয় কমাতে নতুন জিএম হারুন-অর-রশিদ নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই মধ্যে নানা অনিয়ম ও অসংগতি ধরে তিনি কয়েকজনকে বদলি ও সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। এতে বিপর্যয় অনেকটা কমেছে।

রেলওয়ের একাধিক কর্মকর্তা অবশ্য বলছেন, যত উদ্যোগই নেওয়া হোক না কেন ঢাকা-রাজশাহী রুটে ডাবল রেলপথ না হওয়া পর্যন্ত সময়সূচি বিপর্যয় পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে যাওয়া বনলতা ট্রেন প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছে রাজশাহীতে। গতকাল শনিবার সকালেও রাজশাহী থেকে ছেড়ে যাওয়া একই ট্রেন প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছায় ঢাকায়। এভাবে প্রতিদিনই দেড়-দুই ঘণ্টা দেরিতে বিরতিহীন এই ট্রেন চলাচল করছে।

এরই মধ্যে রাজশাহী স্টেশনের স্যানেটারি ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রহনপুরের দুই স্টেশন মাস্টারকে বদলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বদলি করার প্রক্রিয়া চলছে পাকশী বিভাগের সহকারী প্রকৌশলীকে।

পশ্চিমাঞ্চল রেওলওয়ের জিএম হারুন-অর-রশিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি আসার পর এখানে বিভিন্ন বিষয়ে হাত দিয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম ও অসংগতি দূর করতে কখনো স্টেশনে আবার কখনো রেললাইনে ছদ্মবেশে যাচ্ছি। কারণ আমাকে অনেকেই চেনেন না। এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে অসংগতিগুলো চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

রাজশাহী স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বিরতিহীন পদ্মাসহ অন্য তিনটি আন্তনগর ট্রেন এখনো দেরি করে ছাড়ছে সিডিউল বিপর্যয়ের কারণে। তবে ঈদের চেয়ে এখন অন্তত ৯০ শতাংশ সিডিউল বিপর্যয় কমে এসেছে।’

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ বলেন, ‘আমরা নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে চলেছি শিডিউল বিপর্যয় রোধ করতে। কিন্তু ডাবল লাইন চালু না হলে শিডিউল বিপর্যয় রোধ করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা