kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গোপালগঞ্জ শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় ছয় শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. নুরউদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাদের বহিষ্কার করা হয়।

সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলো ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র হাবিবুল্লা নিয়ন, রাশেদ হাসান, মুনিম ইসলাম হীরা, ঝিলাম হালদার, ফাহমিদা বৃষ্টি ও দেবব্রত রায়। তাদের মধ্যে নিয়নকে দুই সেমিস্টারের জন্য এবং বাকি পাঁচজনকে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কার আদেশে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের (২০১৬-১৭) ছাত্র হাবিবুল্লা নিয়ন বিভাগের ১০৩ নম্বর শ্রেণিকক্ষের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে ফেসবুকে লেখালেখি করে, কিন্তু এই লেখালেখিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি যাতে নষ্ট না হয় এই মর্মে বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বিলাস কান্তি বালা শিক্ষার্থীদের সতর্ক করেন। তা উপেক্ষা করে শিক্ষর্থীরা ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাস দেয়। এ অবস্থায় নিয়ন এবং তার সহপাঠীদের লেখায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। তারা বিভাগের চেয়ারম্যানকে নিয়েও আপত্তিজনক মন্তব্য করেছে, যা শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও গর্হিত কাজ। এমন গর্হিত কাজের জন্য এসংক্রান্ত ঘটনা তদন্তের জন্য বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশ অনুসারে ছয় শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হলো।

এ ব্যাপারে বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. বিলাস কান্তি বালার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. নুরউদ্দিন আহমেদ মুঠোফোনে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের আপত্তিকর ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে আলোচনা করেই বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা ওই ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে চিঠি ইস্যু করে আমাকে দিয়ে স্বাক্ষর করিয়েছেন। এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত কিছুই বলতে পারব না।’

অন্যদিকে শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদেরে সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়নি। শুধু বলেছে, তারা সময়-সুযোগমতো কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা