kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

স্মরণসভায় বক্তরা

অসামান্য শিল্পদক্ষতা ফুটিয়ে তুলেছেন রিজিয়া রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিষয়-বৈচিত্র্যে রিজিয়া রহমানের উপন্যাস ও গল্প অনন্য। প্রাচীন বাংলার ইতিহাস থেকে আধুনিক বাংলাদেশের জন্মকথা, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের বাস্তবতা, বস্তিবাসী, নির্যাতিতা নারী, চা-শ্রমিক ও সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর জীবন-লড়াই এবং প্রবাস জীবনের নানা সংকটকে তিনি গল্প-উপন্যাসের বিষয় করে তুলেছেন অসামান্য শিল্পদক্ষতায়।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমি কবি শামসুর রাহমান সেমিনার হলে বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির ফেলো রিজিয়া রহমান স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, রিজিয়া রহমানের উপন্যাসে মানুষের মন থেকে ইতিহাস ও নৃতত্ত্বের গভীরতর অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়। তিনি নিম্নবর্গ ও প্রান্তিক মানুষের জীবনকে তাঁর অনেক উপন্যাসের বিষয় করেছেন; আবার মধ্যবিত্ত জীবনও উঠে এসেছে সুনিপুণ মমতায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়েছে তাঁর অনন্য সাহিত্যকর্ম।

স্মরণসভায় রিজিয়ার জীবন ও সাহিত্যসৃষ্টি নিয়ে স্মৃতিচারণা করেন কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক, কবি জাহিদুল হক, লেখক কাজী মদিনা, কথাসাহিত্যিক নাসরীন জাহান, কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন, প্রকাশক মাজহারুল ইসলাম, কবি মাহবুব আজিজ, কথাসাহিত্যিক পাপড়ি রহমান, কথাসাহিত্যিক আবু হেনা মোস্তফা এনাম, কথাসাহিত্যিক স্বকৃত নোমান, কবি পিয়াস মজিদ, রিজিয়া রহমানের ছেলে আবদুর রহমান প্রমুখ।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, ‘রিজিয়া রহমান সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক। আশি বছরের বর্ণাঢ্য সৃজন-জীবনে তিনি গল্প-উপন্যাস-শিশুসাহিত্য-আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথামূলক রচনার মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যকে দিয়েছেন নতুন অভিমুখ। রিজিয়া রহমানের মতো অমর লেখকের কোনো মৃত্যু নেই, আমাদের সকলের পাঠ ও ভালোবাসার মধ্যে তিনি বেঁচে থাকবেন নিরবধিকাল।’  

রিজিয়া রহমানের ছেলে আবদুর রহমান বলেন, মা একই সঙ্গে ছিলেন একজন ভালো লেখক এবং একজন ভালো মানুষ। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—সততার শিক্ষা। তিনি সব সময় বলতেন, মানুষের সামনে পথ অনেক, কিন্তু গন্তব্য একটাই—মানবিকতা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা