kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পেঁয়াজের দাম আরো বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পেঁয়াজের দাম আরো বাড়ল

রাজধানীর খুচরা বাজারে লাগামহীন হয়ে উঠছে পেঁয়াজের দাম। দেশি পেঁয়াজের দাম উচ্চ মূল্যে স্থিতিশীল হলেও আরেক দফা বেড়েছে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে যে আমদানি করা পেঁয়াজ ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা এখন ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়।

ফার্মগেটের তেজগাঁও কলেজের পাশের কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আনিস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দুই দিন আগে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ৪৫ টাকা (কেজি) ছিল। এটা এখন কেজিতে পাঁচ টাকা বাড়তি।’

রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের বাজার বিশ্লেষণের তথ্য বলছে, গত এক মাসের ব্যবধানে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩৮ শতাংশের বেশি। পাশাপাশি দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ।

তবে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজের পাইকারি আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়, যা দু-তিন দিন আগে ছিল ৪০ টাকা। আড়তদার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি পাল্লা (পাঁচ কেজি)  বিক্রি করছি ২২৫ টাকা। যারা এলসিতে পেঁয়াজ আনে তারা দাম বাড়াইছে।’ আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতে পেঁয়াজের সরবরাহ সংকট রয়েছে। এ কারণে তারা চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ সরবরাহ করতে পারছে না। সংকটের কারণে অনেকে আবার দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। সব মিলে বাড়তি খরচ দিয়েই পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। হিলি স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুনর রশিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভারতের বাজারেই সরবরাহে সংকট রয়েছে। আমরা যে পরিমাণ এলসি খুলছি তা (সে অনুযায়ী পেঁয়াজ) তারা দিতে পারছে না। সময় নিয়ে দিচ্ছে। আবার অনেক রপ্তানিকারক আছে যারা সংকটকে পুঁজি করে বাড়তি দাম নিচ্ছে। এ কারণে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বাড়তি।’

চিনির দামও বাড়তি : পেঁয়াজের পাশাপাশি বেড়েছে খোলা চিনির দাম। প্রতি কেজি খোলা চিনিতে পাঁচ-ছয় টাকা বেড়ে এখন ৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। গতকাল ব্রয়লার মুরগির কেজি ছিল ১৩০-১৩৫ টাকা, পাকিস্তানি কক ২২০-২৫০ টাকা। আর গরুর মাংস ৫৫০-৫৭০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। এ ছাড়া ফার্মের ডিম (লাল) প্রতি ডজন বিক্রি হয় ১০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে একই ছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা