kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অবশেষে গঠিত হলো গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কথা ছিল দেড় মাসের মধ্যে গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। কিন্তু বছর পার হয়ে গেলেও কমিটি গঠিত হচ্ছিল না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে গাইবান্ধা জেলার সাতটি উপজেলার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। অবশেষে এক বছর দুই মাস পর গাইবান্ধা জেলার সাতটি উপজেলার ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা গতকাল বুধবার জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ছাত্রলীগ জেলা কমিটির সভাপতি মো. আসিফ সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত বর্ধিত সভায় ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে। কেন্দ্র ঘোষিত পাঁচজনকে স্বপদে বহাল রেখে সহসভাপতি নাজিমুদ্দৌলা বাঁধন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রাকিবের উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয়।

পরে গাইবান্ধা শহরে মিছিল করে নবগঠিত এই জেলা কমিটিকে কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক অনুমোদনের দাবি জানানো হয়। মিছিলটি গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে আসে এবং সেখানে এক সংবাদ সম্মেলনে মো. আসিফ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন। পরে নবগঠিত জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ পৌর পার্কে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।

প্রেস ক্লাবে কমিটি ঘোষণাকালে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য দেন শেখ নাজিমুদৌলা বাঁধন, রবিউল ইসলাম রাকিব, ফরহাদ আকন্দ, জুলফিকার রহমান রাসেন, ফরহাদ আলী, ফাহিম ইসলাম দ্বীপ, ইবনে হাসান জীবন, রুহুল মোস্তফা রাতুল, সাইফুল ইসলাম ফরহাদ, তানজিম চৌধুরী পিয়াস, খন্দকার মাইদুল ইসলাম, এইচ এম আশিকুর রহমান রকি, শরিফুল ইসলাম রিপন, মো. মিঠু মিয়া, মো. মুন্না বিল্যাহ প্রমুখ। 

জেলা ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, এক বছর দুই মাস আগে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট গাইবান্ধা জেলা কমিটি গঠন করে দেয়। এতে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন সভাপতি মো. আসিফ সরকার, সহসভাপতি নাজিমুদ্দৌলা বাঁধন, সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রাকিব ও ফারুক আহম্মেদ। নবগঠিত এই কমিটিকে দেড় মাসের মধ্যে গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ওই জেলা কমিটি ‘পূর্ণাঙ্গ কমিটি’ গঠন করতে ব্যর্থ হয়। ফলে জেলার সাতটি উপজেলার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পূর্ণাঙ্গ কমিটির দাবিতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় নেতাকর্মীদের দাবির মুখে কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত জেলা কমিটির সভাপতি মো. আসিফ সরকারের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বর্ধিত সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সাতটি উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে। পরে তাদের ভোটে সর্বসম্মতিক্রমে ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠন করা হয় এবং তা অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে প্রেরণ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা