kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

৪৬ বছর আগে চার মুক্তিযোদ্ধা হত্যা

সাক্ষীদের বিরুদ্ধে অজামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৪৬ বছর আগে গোপালগঞ্জে চার মুক্তিযোদ্ধা হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১৯ বছর পর গতকাল বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও সাক্ষী হাজির হয়নি। ফলে গোপালগঞ্জ আদালত সাক্ষীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। মামলার বাদী ও ১ নম্বর সাক্ষী শেখ লুৎফরসহ অন্য সাক্ষীদের গ্রেপ্তার করে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর আদালতে হাজির করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা আদালতের সরকারপক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সাক্ষীকে হাজির করার অনেক চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু হাজির না হওয়ায় অজামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।’

জানা যায়, ১৯৭৩ সালের ১০ মার্চ পাঁচ মুক্তিযোদ্ধা লেবু ওরফে সেলিম, কমলেশ বেদজ্ঞ, বিষ্ণুপদ, মানিক ও শেখ লুত্ফুর রহমানকে প্রতিপক্ষ ধরে নিয়ে যায়। এরপর পিটিয়ে হত্যা করে লেবু ওরফে সেলিম, কমলেশ, বিষ্ণুপদ ও মানিককে। এ ছাড়া লুত্ফুরকেও পিটিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায় তারা। কিন্তু আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসায় সুস্থ হন তিনি। মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর বেঁচে থাকা অবস্থায়ই পুলিশ তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করে, যা মৃত্যুকালীন জবানবন্দি হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়। এই জবানবন্দিকেই ঘটনার পরদিন (১১ মার্চ, ১৯৭৩) মামলার এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশ।

পুলিশ তদন্ত শেষে অতিদ্রুত একই বছরের ২৫ মে ২৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগপত্র দেয় তদন্ত সংস্থা। একই মামলায় ২০০০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। গত ১৫ জুলাই হাইকোর্ট এক রায়ে মামলাটির বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। এ অবস্থায় গোপালগঞ্জ আদালত ৪ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন। কিন্তু গতকাল নির্ধারিত দিনে মামলার বাদীসহ কোনো সাক্ষীই আদালতে হাজির হননি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা