kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দুই পক্ষের তর্কাতর্কি

বায়রা সভাপতি মহাসচিবকে দালাল আখ্যা এক পক্ষের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবে শ্রমিক পাঠানো নিয়ে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) নেতারা বাগিবতণ্ডায় জড়িয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিরোধের কথা শোনা গেলেও গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সামনে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতারা। রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বায়রার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় একটি পক্ষ সভাপতি বেনজির আহমেদ ও মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরীকে স্বেচ্ছাচার ও এনজিওর দালাল হিসেবে আখ্যা দেন। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবে লোক পাঠানো নিয়ে নতুন করে সিন্ডিকেটের তৎপরতা চলছে বলে দাবি করেন তাঁরা।

তবে বিদেশে শ্রমিক পাঠানো নিয়ে বর্তমানে কোনো সিন্ডিকেট নেই বলে দাবি করেছেন বায়রা সভাপতি বেনজির আহমেদ। তিনি বলেন, শ্রমিক পাঠানো নিয়ে সিন্ডিকেট হবে না—এ গ্যারান্টি দিতে পারব না। তবে এখন কোনো সিন্ডিকেট নেই। এটা একটা বড় খাত, সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই। ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে সিন্ডিকেট করার কোনো সুযোগ নেই।

বায়রা সভাপতি আরো বলেন, সৌদি আরবে নারী শ্রমিক নির্যাতনকারীদের বিচারের আওতায় আনা হবে। মালয়েশিয়াসহ বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্য শ্রমবাজার খুললে তা সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি থাকবে না। বায়রার সব সদস্য জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ পাবে।

এর আগে বক্তব্য দেন মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী। এ সময় বায়রার ১ নম্বর সহসভাপতি মনসুর আহমেদ কালাম অভিযোগ করেন, সিন্ডিকেট করে আবারও সৌদি আরব ও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিজেদের কবজায় নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তখন সভাপতি বলেন, মতবিনিময়সভার পর প্রয়োজনে গণমাধ্যমকর্মীরা তাঁদের বক্তব্য গ্রহণ করতে পারবেন।

বায়রার সভাপতি ও মহাসচিব অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার পর তাঁদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে ধরেন জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজ ও মনসুর আহমেদ কালামসহ একাধিক নেতা। তাঁরা মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরীকে এনজিওর দালাল বলে আখ্যা দেন। তাঁদের অভিযোগ, বায়রার সদস্যদের স্বার্থ না দেখে মহাসচিব এনজিওর দালালি করেন। প্রতিষ্ঠানের প্যাডে চিঠি দিয়ে ব্যবসা করেন।

অভিযোগ থেকে রেহাই পাননি সভাপতি বেনজির আহমেদও। প্রতিপক্ষের অভিযোগ, ছয় বছর ধরে বেনজির রিক্রুটিং ব্যবসায় নামলেও তাঁর এজেন্সির মাধ্যমে একজন লোককেও বিদেশে পাঠাননি। ষড়যন্ত্র করে ভোট ছিনিয়ে তাঁকে বায়রার সভাপতি করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা