kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

খুনের আগে আরো খারাপ কিছু ঘটে ইমরানের সঙ্গে

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় সাত বছরের শিশু এমরান হোসেনকে হত্যার আগে বলাৎকার করা হয়েছিল। আর এটি করেছিল চারজন মিলে। তাদের একজন ওয়াসিম আকরাম (২০) পুলিশকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

বেগমগঞ্জের ছয়ানি বাজার থেকে ২২ আগস্ট নিখোঁজ হয় এমরান। এর তিন দিন পর একটি পরিত্যক্ত ঘরে মাছের বাক্সে পলিথিন মোড়ানো লাশ পাওয়া যায় তার। এমরান ছোট শরীফপুর গ্রামের সামছুল হকের ছেলে। সে ছয়ানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ত।

এমরানের মৃত্যুর ঘটনায় ২৬ আগস্ট একটি হত্যা মামলা করেন তার বাবা। ওই মামলায় সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয় ওয়াসিম আকরামকে। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের কাছে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

ওয়াসিমের উদ্ধৃতি দিয়ে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে নোয়াখালী পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন জানান, ওয়াসিমসহ চারজন চিপস খাওয়ানোর কথা বলে ইমরানকে ছয়ানি বাজারসংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘরে নিয়ে যায়। এরপর চারজন মিলে শিশুটিকে বলাৎকার করে। একপর্যায়ে শিশুটির মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকে। তখন তারা গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে এমরানকে হত্যা করে। এরপর লাশ মাছের ঝুড়িতে ভরে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

পুলিশ সুপার জানান, বাকি তিনজনের নাম জানা গেছে। তবে তাদের নাম এখনই প্রকাশ করা যাবে না। তিনজনই পলাতক রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) দীপক জ্যোতি খিসা, বেগমগঞ্জ থানার ওসি হারুন অর রশীদ এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নূরে আলম উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা