kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

১৪ দলের সভা

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানিয়েছেন ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। একই সঙ্গে তাঁরা বিদেশে পালিয়ে থাকা খুনিদের ফিরিয়ে এনে রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। আর আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে কারা ছিল, তা বের করতে কমিশন গঠন হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১৪ দল আয়োজিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার দণ্ডিত পলাতক খুনিদের দেশে ফেরত আনার পদক্ষেপ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

মতবিনিময়ে সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে চিহ্নিত ও দণ্ডিত খুনিদের রায় বাস্তবায়ন ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘জনগণের সামনে এসব চিহ্নিত খুনি ও এই ঘটনার ইন্ধনদাতাদের মুখোশ উন্মোচিত করতে হবে।’

আইনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে কারা ছিল, তা উদ্ঘাটনে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কমিশনে কারা থাকবে এবং এর কার্যপরিধি কী হবে তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দেবেন। তবে কমিশনের আওতায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পলাতক খুনিদের খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আর যে দুজনের অবস্থান জানা আছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত হত্যাকারীদের তিনজনের সঠিক অবস্থান জানি না। তবে আমরা দুজনের অবস্থান জানি তারা কোথায় আছে। যাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে তাদের আগামী বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী আয়োজনের আগেই দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ড কার্যকরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

মতবিনিময়সভায় আরো বক্তব্য দেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা