kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভারতে বিটিভির সম্প্রচার শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতে গতকাল সোমবার সকাল থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সম্প্রচার শুরু হয়েছে। প্রথমবারের মতো বিটিভির সম্প্রচার ভারতে শুরু হওয়ায় উভয় দেশের নীতিনির্ধারকরা দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে মন্তব্য করেছেন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের এই সম্প্রচার ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত চ্যানেল দূরদর্শনের ডিরেক্ট টু হোম-ডিটিএইচ প্ল্যাটফর্ম ডিডি ফ্রি ডিশের মাধ্যমে পরিচালনা করা হচ্ছে। ঢাকার সময় গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় ভারতে বিটিভির সম্প্রচার শুরু হয়।

তবে বিকেলে রাজধানীর রামপুরায় বিটিভি ভবন মিলনায়তনে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, আজকের এ দিনটি প্রকৃতপক্ষে বিটিভির জন্য ঐতিহাসিক দিন। প্রথমবারের মতো বিটিভি ভারতে সম্প্রচার হচ্ছে। আজ ভারতের সময় সকাল ৯টায় ও বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় ভারতে বিটিভির সম্প্রচার শুরু হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকের বিশ্ব হলো গ্লোবাল ভিলেজ, যেকোনো ঘটনা সমগ্র পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে মুহূর্তে। তাই টেলিভিশনকে সীমানার মধ্যে আবদ্ধ করে রাখার যুক্তি নেই। এ সম্প্রচার শুরুর ফলে দুই দেশের মানুষের নৈকট্য দৃঢ় হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

বিশেষ অতিথি তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেন, বাংলাদেশে আজকের এ মুহূর্তটি ঐতিহাসিক। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। সমগ্র বিশ্বে বিটিভি একদিন সম্প্রচার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, দুই দেশের মানুষকে আরো কাছে আনবে এই উদ্যোগ। বিটিভি অডিটরিয়ামে আজকের এই অনুষ্ঠানটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দুই দেশের বন্ধনকে আরো শক্ত করবে এই উদ্যোগ। টেলিভিশনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক বন্ধন আরো সমৃদ্ধ হবে। এ পদক্ষেপের ফলে দুই দেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক বন্ধন আরো দৃঢ় হবে। দুই দেশের মধ্যে তথ্যবিনিময় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আজকের উদ্যোগ। ভারতের তিন কোটি মানুষের ঘরে পৌঁছাবে বিটিভি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিটিভির মহাপরিচালক এস এম হারুন-অর-রশীদ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা