kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে মিয়ানমার

এত দিন অস্বীকার হঠাৎ কোর্ট মার্শাল ঘোষণা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই বছর ধরে রোহিঙ্গাদের ওপর জেনোসাইড ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে আসা মিয়ানমার সামরিক বাহিনী গত শনিবার হঠাৎ দায়ী সেনা সদস্যদের কোর্ট মার্শাল বা সামরিক আদালতে বিচার করার ঘোষণা দিয়েছে। মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক সিনিয়র জেনারেল অং মিন হ্লাইংয়ের ওয়েবসাইটে গতকাল ওই ঘোষণা দেওয়া হয়।

মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্তকারী জাতিসংঘ নিযুক্ত দল গত বছর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়কসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক অধিনায়ককে জেনোসাইড, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করার সুপারিশ করে। জাতিসংঘের তদন্তদল অং মিন হ্লাইং ও মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও সুপারিশ করে। আগামী সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে যে অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে সেখানেও এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হওয়ার কথা। এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করার আবেদন আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের বিবেচনাধীন আছে। এর প্রাক্কালে গতকাল মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক দায়ী সেনা সদস্যদের সামরিক আদালতে বিচার করার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তাদের এরই মধ্যে সাজা দেওয়া হয়ে গেছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক বলেছেন, সামরিক আদালত রাখাইনের একটি গ্রামে কিছু ঘটনায় সেনা সদস্যদের ‘দুর্বলতা’ পেয়েছে।

গত বছর বার্তা সংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে রাখাইনের বুথিডং টাউনশিপের গুতারপিন গ্রামে একটি কবরে পাঁচ রোহিঙ্গার মরদেহের অংশবিশেষ পাওয়ার তথ্য তুলে ধরেছিল। তখন মিয়ানমার সরকার দাবি করেছিল, ১৯ জন ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে। তাদের সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে কবর দেওয়া হয়েছে।

তবে গতকাল রবিবার মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র তুন তুন নি রয়টার্সকে বলেন, তদন্তের ফল গোপনীয়। এ বিষয়ে তাদের জানার কোনো সুযোগ নেই। তদন্ত শেষ হলে বিবৃতি দিয়ে জানানো হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা