kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জামালপুরে যানজট মোকাবেলার কৌশল

এক দিন চলবে লাল, এক দিন সবুজ অটোরিকশা

জামালপুর প্রতিনিধি   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জামালপুর শহরের প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজট কমাতে লাল ও সবুজ আলাদা দুই রঙের ব্যাটারিচালিত তিন হাজার অটোরিকশা চলবে এক দিন করে বিরতি দিয়ে। গতকাল রবিবার সকাল থেকে লাল রঙের অটোরিকশা চলাচল শুরু হয়েছে। সে হিসাবে আজ সোমবার জামালপুর শহরে চলবে সবুজ রঙের অটোরিকশা। অন্যদিকে এক দিন বিরতি দিয়ে অটো চালানোয় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ তুলে ধরে যাত্রীভাড়াও বাড়িয়ে দিয়েছে অটোরিকশাচালকরা। পৌরবাসীর পক্ষ থেকে অটোভাড়া কমানোর দাবিও উঠছে বেশ জোরালোভাবে।

জামালপুর শহরের একমাত্র প্রধান সড়ক ঘিরেই আন্ত জেলা বাস টার্মিনাল, লেগুনা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ড, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ, ব্যাংক-বীমা, দোকানপাট, মার্কেট-বিপণিবিতান গড়ে উঠেছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা পরিষদ, সাবরেজিস্ট্রি অফিস, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সদর থানা, জেলা জজ আদালত, হাসপাতাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে এই প্রধান সড়কের পাশেই।

ফলে রাত পোহালেই যাত্রীর সন্ধানে শহরের সড়ক ভরে যায় অটোরিকশায়। সকাল সকাল অন্তত পাঁচ হাজার থেকে সাত হাজার অটোরিকশা শহরে ঢোকে একযোগে। ফলে তীব্র যানজটে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় শহরবাসীকে। দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ কমাতে জারি করা নয়া ব্যবস্থায় এক দিন চলবে লাল রঙের এবং পরের দিন চলবে সবুজ রঙের অটোরিকশা। এ ছাড়া প্রতিটি অটোরিকশার ডান পাশে লোহার পাইপ বা পাত লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে ডান পাশ দিয়ে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ হয়েছে। ফলে সড়ক দুর্ঘটনা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।  

গতকাল সকাল থেকে শুধু লাল রঙের দেড় হাজার অটোরিকশা চলাচল করেছে জামালপুর শহরে। পৌরসভার উদ্যোগে শহরে আগে থেকেই মাইকিং করে এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। গতকাল সকালে পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে পৌর মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্যোগের উদ্বোধন করেন।

এদিকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে নয়া ব্যবস্থা চালুর পর গতকাল দুপুরের দিকে শহরের প্রধান সড়কের হাসপাতাল গেট, আদালত এলাকা, ফৌজদারি মোড়, বকুলতলা মোড়, সকাল বাজার, তমালতলাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মোড় ঘুরে আগের সেই তীব্র যানজট চোখে পড়েনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা