kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মূল আসামিদের নাম বাদ দেওয়ায় বিক্ষোভ

সাঁওতাল হত্যা মামলার চার্জশিট

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতাল হত্যার বিচার দাবিতে এবং পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) দাখিলকৃত চার্জশিটে মূল আসামির নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। গতকাল রবিবার দুপুরে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

উপজেলার জয়পুর, মাদারপুর আদিবাসী পল্লী থেকে তীর-ধনুক, ঢাকঢোল, লাল ফ্লাগ ও ফেস্টুন-ব্যানার হাতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সহস্রাধিক সাঁওতাল নারী-পুরুষ। তারা প্রায় ১২ কিলোমিটার পথ হেঁটে উপজেলা চত্বর হয়ে গোবিন্দগঞ্জের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। তাদের সঙ্গে স্থানীয় বাঙালি এবং প্রগতিশীল বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরাও যোগ দেয়। মিছিলের স্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

পরে থানা চৌরাস্তা এলাকায় দুপুর পৌনে ১২টা থেকে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সাঁওতালরা। এ সময় মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকে। ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধ চলাকালে সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ডা. ফিলিমন বাসকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাফরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন শেখ, অর্থ সম্পাদক হবিবর রহমান, হামলা ও হত্যা মামলার বাদী থমাস হেমব্রম, সিপিবি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি তাজুল ইসলাম, যুব ইউনিয়নের উপজেলা সভাপতি আরিফুল ইসলাম মিজান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার পিবিআই মামলার মূল আসামি সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, প্রশাসনিক ও চিনিকল কর্মকতা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ অনেককে   চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করেনি। আদিবাসী ও বাঙালিরা এই চার্জশিট তাই ধিক্কার জানিয়ে  প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা আরো বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে গাইবান্ধা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনার তদন্ত করেন। সেই প্রতিবেদনে ৩ পুলিশ সদস্যসহ চিনিকলের ২ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয় অথচ পিবিআইয়ের তদন্ত রির্পোটে তাদের নাম নেই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা