kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিলম্বে এলো ট্রেন ভুল ঘোষণায় উঠতে পারেনি ৪০ যাত্রী!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা পর আখাউড়ায় পৌঁছে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেন। এরপর বিপত্তি বাঁধে প্ল্যাটফর্ম নম্বর ঘোষণায়। বলা হয় চট্টলা থাকবে ২ নম্বরে। তবে এ ট্রেনটি ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ছেড়ে যায়। এতে করে ৩০-৪০ জন যাত্রী ওই ট্রেন ধরতে পারেননি। গতকাল শনিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে যাত্রা করা চট্টলা এক্সপ্রেস দুপুর পৌনে ১টায় আখাউড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা। ট্রেনটি গতকাল প্রায় তিন ঘণ্টার মতো বিলম্বে আখাউড়ায় আসে। চট্টলা এক্সপ্রেস আসার আগ মুহূর্তে স্টেশনের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়, চট্টলা এক্সপ্রেস থাকবে ২ নম্বর লাইনে; একই পথের কর্ণফুলী এক্সপ্রেস দাঁড়াবে ৩ নম্বর লাইনে। বিকেল পৌনে ৪টার দিকে চট্টলা এক্সপ্রেস ৩ নম্বর লাইন থেকে ছেড়ে যায়। কিন্তু ঘোষণা অনুযায়ী ট্রেনটিকে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস মনে করে অনেকেই তাতে ওঠেননি।

আখাউড়া পৌর এলাকার বড়বাজারের শামীমুর রহমান শিশির জানান, ‘আমাদের সামনে দিয়ে ট্রেন গেলেও ভুল ঘোষণার কারণে উঠতে পারিনি। স্টেশন মাস্টার আমাদের জানিয়েছেন, একই টিকিটে মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনে চড়ার ব্যবস্থা করে দেবেন। দেরি হয়ে যাবে বলে ঢাকা যাওয়া বাতিল করেছি।’

আখাউড়া মোগড়া ইউনিয়নের কর্নেল বাজারের মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমার মতো ৩০-৪০ জন যাত্রী ট্রেনে উঠতে পারেননি। সংশ্লিষ্টদের গাফিলতির কারণে এমনটি হয়েছে। আমাদের মহানগর এক্সপ্রেসে যাওয়ার সুযোগ করে দিলেও সিটে বসে যেতে পারব না।’

আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের সুপারিনটেনডেন্ট মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ২ নম্বর লাইনে আসার ঘোষণা দেওয়া হলেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ৩ নম্বর লাইনে আনা হয়। অপেক্ষমাণ কিছু যাত্রী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন ভেবে এটাতে ওঠেননি। সংশ্লিষ্ট লোক না পাওয়ায় পরে মাইকিং করা সম্ভব হয়নি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা