kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাল্যবিয়ে থেকে নান্দাইলে দুই ছাত্রীর রক্ষা

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়মনসিংহের নান্দাইলে ইউএনও ও ওসির তৎপরতায় বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে স্কুল ও কলেজে পড়ুয়া দুই ছাত্রী। তাদের একজনের বয়স ১৩ বছর এবং অন্যজনের ১৬ বছর সাত মাস। গত শুক্রবার রাতে এ দুটি বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার রাজগাতি ইউনিয়নের উলুহাটি গ্রামের মো. কাজল ভুইয়ার ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া মেয়ে সেবা আক্তারের (১৩) সঙ্গে পাশের গড়া গ্রামের এক প্রবাসী যুবকের বিয়ে ঠিক করা হয়। বিয়ের দিন ছিল শনিবার। এই মেয়ের বাল্যবিয়ের প্রতিবাদ করে আসছিল এলাকার কয়েকজন যুবক। এতে মেয়েটির ঘটা না করে গোপনে বিয়ে সেরে ফেলার আয়োজন করে। শুক্রবার রাতে ওই বাড়িতে বর এলে ঘটনাটি জানতে পারেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রহিম সুজন। তিনি ওসি মনসুর আহাম্মাদকে জানালে একদল পুলিশ পাঠিয়ে পরিবারের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা নিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন।

অন্যদিকে উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের বীর ঘোষপালা গ্রামের মো. জাহাঙ্গীরের কলেজে পড়া মেয়ে তামান্না আক্তারের (১৬ বছর সাত মাস) বিয়ে ঠিক হয় পাশের পংকরহাটি গ্রামের লাল মিয়ার প্রবাসী ছেলে মো. রতন মিয়ার (২৫) সঙ্গে। এই খবরও পৌঁছে যায় ইউএনওর কাছে। তিনি ওসির সহযোগিতায় থানার উপপরিদর্শক আবু তালেবকে বিয়ে বাড়িতে পাঠালে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পায় ওই কলেজছাত্রী। উপপরিদর্শক তালেব জানান, বয়স হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মেয়ের বাবার লিখিত অঙ্গীকারনামা আদায় করা হয়।

এ ব্যাপারে ইউএনও আব্দুর রহিম সুজন জানান, বাল্যবিয়ে রোধকল্পে সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে। প্রশাসনের একার পক্ষে বাল্যবিয়ে ঠেকানো সম্ভব হবে না। সবার সহযোগিতায় নান্দাইলকে বাল্যবিয়ে মুক্ত করা সম্ভব হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা