kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রংপুরে রশিদ হত্যাকাণ্ড

বাবু গ্রেপ্তার মোজাফফরকে খুঁজছে পুলিশ

রংপুর অফিস   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রংপুরে শিশু আব্দুর রশিদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আলামিন সরদার বাবুকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল শনিবার ভোরে রংপুর নগরীর সাতগাড়া এলাকা থেকে র‌্যাব-১৩ তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বাবার নাম আব্দুল আওয়াল। এদিকে পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছে, রশিদকে কুপিয়ে ও চলন্ত গাড়ির নিচে ফেলে হত্যাকারী সন্ত্রাসী মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও সে ছিল ধরাছোঁয়ার বাইরে। গত বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর নগরীর টেক্সটাইল মোড়ে ১১ বছর বয়সী রশিদকে হত্যা করে মোজাফফর ও তার বাহিনী।

এলাকাবাসী জানায়, নগরীর খলিফাটারী এলাকার কামাল মিয়ার ছেলে মোজাফফর। ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের টেক্সটাইল মোড় এলাকায় ছিনতাই-ডাকাতি করা তার পেশা। তাদের দলে রয়েছে ১০ থেকে ১৫ জন। গভীর রাতে কিংবা ভোরবেলা নাইট কোচের যাত্রীরা ওই সড়ক দিয়ে গেলেই তাদের সর্বস্ব কেড়ে নেয় মোজাফফর বাহিনী। তার বাবা টেক্সটাইল মোড়ে ভাঙ্গারির ব্যবসা করেন। সাতগাড়া মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন তাঁরা। টেক্সটাইল মোড় ও আশপাশের এলাকায় কেউ ব্যবসা করলে তার কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায় করে মোজাফফর ও তার বাহিনী। আশপাশের ব্যবসায়ীরা এই বাহিনীর কাছে জিম্মি। মোজ্জাফফর বাহিনীকে চাঁদা না দিয়ে ওই এলাকায় কেউ বাড়ি নির্মাণ করতে পারে না।

নিহত রশিদের বাবা শহিদার রহমান ন্যায়বিচার চেয়ে বলেন, ‘কয়েক দিন আগে সন্ত্রাসী মোজাফফর আমার বড় ছেলে অটোচালক মোহন মিয়ার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় তাকে মারধর করে মোজফফর। আমার সামনেই মোজাফফর ও তার বাহিনী লাঠি ও ছোরা দিয়ে ছেলে রশিদকে (১১) কোপাতে থাকে। আমার বোন নাজমা ও আমি অনেক চেষ্টা করেও ছেলেকে রক্ষা করতে পারিনি। সন্ত্রাসীরা আমাদের সামনে চলন্ত গাড়ির নিচে ফেলে নৃশংসভাবে ছেলেকে হত্যা করল। আমি খুনিদের ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।’

এদিকে রংপুর কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রশীদ জানান, সন্ত্রাসী মোজাফফরের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় না থাকলেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা