kalerkantho

আগের তিনটি বাতিল নতুন করে চিঠি দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

গ্রামীণফোনকে ৩০ কোটি টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আগের তিনটি বাতিল নতুন করে চিঠি দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর কম্পানি গ্রামীণফোন ‘গো ব্রডব্যান্ড’ নামের ইন্টারনেট সার্ভিস চালু করায় ৩০ কোটি টাকা জরিমানা করে ওই অপারেটরকে দেওয়া বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তিনটি চিঠি বাতিল ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। তবে বিটিআরসি আইনের ৬৩ ও ৬৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী নতুন করে চার মাসের মধ্যে গ্রামীণফোনকে চিঠি দিতে সংস্থাটির প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রবিবার এক রায়ে এ নির্দেশ দেন। রায়ে ২০১১ সালে ‘এনটিটিএন’ নামের ইন্টারনেট সার্ভিসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তা ২০১৬ সাল পর্যন্ত অব্যাহত রাখায় রাষ্ট্রের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা অডিটর জেনারেলের মাধ্যমে নিরূপণ করতে বিটিআরসির প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

বিটিআরসির তিনটি চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণফোনের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে গতকাল এ রায় দেওয়া হয়। আদালতে রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

রায়ের পর ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব সাংবাদিকদের বলেন, গ্রামীণফোন ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বিটিআরসির অনুমোদন ছাড়াই এনটিটিএন সার্ভিস চালু রাখে, যা বেআইনি বলে রায় দিয়েছেন আদালত। এই সার্ভিস চালু রাখার মাধ্যমে রাষ্ট্রের ক্ষতি করেছে গ্রামীণফোন। আদালত অডিটর জেনারেলের মাধ্যমে এই ক্ষতি নিরূপণের জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। 

জানা যায়, বেআইনিভাবে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু রাখার জন্য বিটিআরসি ২০১৬ সালের ১৩ জুলাই গ্রামীণফোনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। এরপর ৩০ কোটি টাকা জরিমানা করে তা পরিশোধ করতে ওই বছরের ৬ ও ২৯ নভেম্বর এবং ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি এই অপারেটরকে পৃথক তিনটি চিঠি দেয় বিটিআরসি। এরপর এসব চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করে গ্রামীণফোন। এ রিট আবদেনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন এবং তিনটি চিঠির কার্যকারিতা স্থগিত করেন। এই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে গতকাল রায় দেন আদালত।

মন্তব্য