kalerkantho

সোমবার । ২১ অক্টোবর ২০১৯। ৫ কাতির্ক ১৪২৬। ২১ সফর ১৪৪১       

থানাহাজতে দলবদ্ধ ধর্ষণ

মাদক মামলায় জামিন মেলেনি ভুক্তভোগীর

খুলনা অফিস   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রেলওয়ে থানাহাজতে আটকে রেখে পুলিশের দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তিন সন্তানের জননীর বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত মামলায় জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল রবিবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নয়ন সরকার এ আদেশ দেন।

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, খুলনার সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মাদক মামলায় আদালত জামিন দেননি। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

গত ২ আগস্ট যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসার পথে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি সদস্যরা ওই গৃহবধূকে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক করেন। অবশ্য জিআরপি পুলিশের দাবি, বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী কমিউটার ট্রেনের একটি বগি থেকে ওই নারীকে ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। পরে গভীর রাতে জিআরপি থানার ওসি উছমান গনি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন ৩ আগস্ট তাঁকে পাঁচ বোতল ফেনসিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত ফুলতলায় হাজির করা হয়। ৪ আগস্ট আদালতে জামিন শুনানিকালে জিআরপি থানায় দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ আদালতের সামনে তুলে ধরেন ওই নারী। এরপর আদালতের নিদের্েশ ৫ আগস্ট তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়। ওই ঘটনায় পুলিশের দুটি তদন্ত কমিটি কাজ করছে। এরই মধ্যে অভিযুক্ত খুলনা জিআরপি (রেলওয়ে) থানার ওসি উছমান গনি পাঠান ও উপপরিদর্শক নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহার করো পাকশী রেলওয়ে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী গত ৯ আগস্ট রেলওয়ে থানার ওসি উছমান গনি পাঠানসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারক) আইন, ২০১৩-এর ১৫ ধারায় জিআরপি থানায় দায়ের করেছেন। তা ছাড়া আদালতেও জবানবন্দি দেন তিনি।

অন্যদিকে থানাহাজতে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের দুটি তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দিতে আরো ১৫ দিন সময় চেয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা