kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

কলকাতায় দুর্ঘটনা

এলো দুই বাংলাদেশির লাশ

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এলো দুই বাংলাদেশির লাশ

ভারতের কলকাতায় গত শুক্রবার গভীর রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই বাংলাদেশির লাশ রবিবার সকাল ৯টার দিকে যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। বেনাপোল চেকপোস্টে লাশ আসার পর স্বজনদের আজাহারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মাইক্রোবাসে করে লাশ দুটি নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দেয় স্বজনরা। লাশ হস্তান্তরের সময় চেকপোস্ট নো ম্যানস ল্যান্ড এলাকায় ভারতীয় বিএসএফ, পুলিশ, কাস্টমস এবং বাংলাদেশি ইমিগ্রেশন পুলিশ, বিএসএফ ও কাস্টমসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিহত দুই বাংলাদেশি হলেন ঝিনাইদহের ভুটিয়ারগাতি গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে কাজী মোহাম্মদ মইনুল আলম সোহাগ (৩৬) ও কুষ্টিয়ার খোকসার চান্দুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের মেয়ে ফারহানা ইসলাম তানিয়া (৩০)। ফারহানা সিটি ব্যাংক ঢাকার ধানমণ্ডি শাখায় এবং মইনুল ঢাকায় গ্রামীণফোনে চাকরি করতেন। তাঁরা দুজন বন্ধু ছিলেন। চিকিৎসার জন্য কয়েক বন্ধু মিলে তাঁরা ভারতে গিয়েছিলেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি (তদন্ত) মাসুম বিল্লাহ বলেন, দুই বাংলাদেশির লাশ ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফারহানার লাশ গ্রহণ করেন তাঁর চাচাতো ভাই আবু ওবাইদা সাফিন আর মইনুল আলমের লাশ নেন তাঁর চাচাতো ভাই জিয়াদ আলী।

এদিকে এ দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরসালান পারভেজকে গত শনিবার আলিপুর আদালতে তোলা হলে তাকে নিরাপত্তা হেফাজতে পাঠানো হয়।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অ্যাম্বুল্যান্সযোগে মইনুলের লাশ ঝিনাইদহ শহরের ভুটিয়ারগাতির বাড়িতে পৌঁছনোর পর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। বাদ জোহর ভুটিয়ারগাতি মাদরাসা মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফন করা হয়।

কুষ্টিয়া থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, তানিয়ার লাশ গতকাল রবিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার খোকসার বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের চাদোট গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা