kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

সান্তাহার জংশন স্টেশনে ছাউনিবিহীন প্ল্যাটফর্ম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

১১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশনে কাগজে-কলমে ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থাকলেও আজ পর্যন্ত বাস্তবে তার দেখা মেলেনি। স্টেশনের মিটার গেজ লাইনের এই প্ল্যাটফর্মটির স্থান দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রেনযাত্রী ওঠা-নামা করে। এ ছাড়া অন্য চারটি প্ল্যাটফর্ম সংস্কার বা উন্নয়নের ব্যাপারেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ নেই। প্ল্যাটফর্মগুলোতে ছাউনি, বিদ্যুৎ সরবরাহ, পানি ব্যবস্থা ও নিরাপত্তার বেষ্টনী না থাকায় ট্রেনযাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সান্তাহার-লালমনিরহাট এবং সান্তাহার-বোনারপাড়া লাইনে চলাচলকারী যাত্রীরা ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের নির্ধারিত স্থানের খোলা জায়গাটি ব্যবহার করে জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাতায়াত করে থাকে। শুধু বগুড়া জেলা সদরের চাকরিজীবী, আইনজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ শত শত যাত্রী এভাবেই চলছে বছরের পর বছর ধরে। ভুক্তভোগী যাত্রী আব্দুস সামাদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই প্ল্যাটফর্মের ছাউনি না থাকায় যাত্রীসাধারণকে রোদে পুড়ে-পানিতে ভিজে ট্রেনে ওঠানামা করতে হচ্ছে। প্রখর রোদ আর বৃষ্টি শুরু হলেই যাত্রীদের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে অবস্থান করতে হয়। সময়মতো বগুড়ায় পৌঁছানোর জন্য অসংখ্য ট্রেনযাত্রী ভোরের পদ্মরাগ ট্রেনে সান্তাহার স্টেশন থেকে বগুড়ায় যায়। তাদেরও পড়তে হয় বিড়ম্বনায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ১ থেকে ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের প্রতিটিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে গরু-ছাগলসহ মানুষের মলমূত্র। প্ল্যাটফর্মগুলো সংস্কার না করায় বিভিন্ন স্থানে ইটের খোয়া উঠে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। এ ছাড়া চারটি প্ল্যাটফর্মে আলোর ব্যবস্থা থাকলেও তা অপ্রতুল। যে কারণে মেয়েরা রাতে সেখানে অবস্থান করতে পারে না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেলওয়ে কর্মচারী বলেন, ‘রেলওয়ে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু রেলওয়ের কর্তাব্যক্তিদের অবহেলা এবং কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার কারণে এ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের আজ এ অবস্থা।’

মন্তব্য