kalerkantho

বুধবার । ২৯ জানুয়ারি ২০২০। ১৫ মাঘ ১৪২৬। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

বড় গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বড় গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

কোরবানির পশু বিক্রি শুরু হয়েছে পুরোদমে। মাঝারি ও ছোট গরুর কাটতি বেশি বাজারে। বড় গরুর ব্যবসায়ীরা এখনো দুশ্চিন্তায়। আজ রবিবার বিক্রি না হলে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত বাজারে গরু রাখা হবে বলে জানিয়েছে তারা। তবে শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করে কোরবানির পশু কেনার পর্ব গতকালের মধ্যে শেষ করার ইচ্ছা দেখিয়েছে বেশির ভাগ ক্রেতা। গতকাল শনিবার রাজধানীর শিয়ালডাঙ্গা, সাঈদনগর ও আফতাবনগরের পশুর হাটের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর ঈদুল আজহায় এক কোটি ১৫ লাখ গরু ছিল কোরবানির উপযোগী। এর মধ্যে সারা দেশে এক কোটি পাঁচ লাখের মতো গরু বিক্রি হয়েছিল। এবার কোরবানির উপযোগী এক কোটি ১৮ হাজার গরু রয়েছে দেশে। মন্ত্রণালয়ের ওই তথ্যের আঁচ পাওয়া গেছে বাজারে। এবার ভারতীয় গরুর সরবরাহ খুব কম। দেশি গরুর আধিক্য ছিল রাজধানীর পশুর হাটগুলোয়। এক থেকে দেড় লাখ টাকা দামের গরুর কদর বেশি ক্রেতাদের কাছে। তবে এক লাখের কম দামের গরুও বিক্রি হয়েছে বেশ। তার পরও শিয়ালডাঙ্গা, সাঈদনগর ও আফতাবনগরে বড় গরু নিয়ে আশা ব্যবসায়ীদের মধ্যে দুশ্চিন্তা ছিল বেশ। এই তিন হাটে আট লাখ টাকার বেশি দামের এক-তৃতীয়াংশ গরুও বিক্রি হয়নি বলে জানিয়েছে তারা।

কুষ্টিয়া থেকে বড় আকারের তিনটি গরু নিয়ে সাঈদনগর হাটে আসেন ব্যবসায়ী মো. সেলিম মিয়া। একটি গরু আট লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি। কালো ও সাদা রঙের দুটি গরু এখনো বিক্রি করতে পারেননি তিনি। একেকটি গরুর দাম হাঁকাচ্ছেন ১২ লাখ টাকা। ক্রেতারা আট লাখ টাকার ওপরে উঠতে চায়নি।

সেলিম মিয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ছোট ও মাঝারি গরু বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু বড় গরুর তিন ভাগের দুই ভাগ এখনো অবিক্রীত। একটি গরুর জন্য দৈনিক সাড়ে সাত শ টাকা খরচ হয়। বিক্রি না হলে বিপদে পড়ে যাব।’

এদিকে গতকাল গরু কেনার পর্বটি সেরে ফেলতে চায় ক্রেতারা। কারণ আজ গরু কিনতে গেলে এক ধরনের উৎকণ্ঠা কাজ করবে। হাতে সময় না থাকলে ভালো পশু পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। গত বছরের তুলনায় এ বছর ছোট গরুর দাম একটু বেশি। মাঝারি গরুর দাম গতবারের মতোই। তবে খাসি কেনার জন্য আজ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে অসুবিধা নেই বলে জানিয়েছে ক্রেতারা। গত বছরের তুলনায় এবার খাসির দাম চড়া। শিয়ালডাঙ্গায় কোরবানির গরু কিনতে আসা মোস্তাফিজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গরু কিনতে দেরি করলে এক ধরনের উৎকণ্ঠা কাজ করে। তাই আজ (শনিবার) গরু কিনে ফেলতে চাই। খাসি আজ না পারলে হাটের পরিস্থিতি বুঝে কাল কিনব।’ গতকালে পশু বিক্রি নিয়ে খুশি ইজারাদাররা। আফতাবনগর পশুর হাটের ৪ নম্বর কাউন্টারের ম্যানেজার খুরশিদ আলম বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে বিক্রি পুরোদমে শুরু হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা