kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় ই-পাসপোর্ট

♦ ফি ও ফরম নির্ধারণ করে পরিপত্র জারি করা হয়েছে
♦ নবায়নের ক্ষেত্রে ৪৮ ঘণ্টায় পাওয়া যাবে অতি জরুরি ই-পাসপোর্ট

ওমর ফারুক   

১১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম শুরুর জন্য এরই মধ্যে ই-পাসপোর্টের ফরম, ফি, নিয়ম-কানুন সব ঠিক করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ই-পাসপোর্টের পলিসি লেভেলের কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও কারিগরি কিছু কাজ এখনো বাকি আছে। যে কারণে আগামী ঈদে সংশ্লিষ্টদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ঈদের ছুটির মধ্যেই কারিগরি বিষয় শেষ করা হবে। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, সফটওয়্যারসহ কিছু কারিগরি কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় জুলাই মাসে শুরু করা যায়নি ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম। বর্তমানে সেই কাজ প্রায় শেষের দিকে। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তাঁর সম্মতি পেলেই উদ্বোধনের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আজহারুল হক বলেন, ‘ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্টরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ঈদের ছুটিতেও কাজ করবেন তাঁরা।’ একই কথা জানান প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খানও।

ই-পাসপোর্টের আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো কাগজ সত্যায়ন করতে হবে না। ফরমে কোনো ছবিও দিতে হবে না। আবেদনপত্র পূরণ করতে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন সনদ অনুযায়ী তথ্য ব্যবহার করতে হবে। যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে তাদের বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ করতে হবে। ১৮ বছরের নিচে হলে জন্ম নিবন্ধন সনদ লাগবে। ১৮ বছরের নিচের আবেদনকারীর পাসপোর্ট পাঁচ বছর মেয়াদির বেশি হবে না।

পরিপত্রে রি-ইস্যু পাসপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে—দেশের ভেতর অতি জরুরি নবায়ন বা নতুন করে ইস্যুর ক্ষেত্রে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে। জরুরি পাসপোর্ট দেওয়া হবে ৭২ ঘণ্টায়। সাধারণভাবে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে সাত কর্মদিবসের মধ্যে।

তবে নতুন আবেদনকারীদের অতি জরুরি পাসপোর্টের ক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।

যে ফি নির্ধারণ হয়েছে : বাংলাদেশে আবেদনকারীদের জন্য ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের সাধারণ ফি ৩৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৫৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৭৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫০০০ টাকা, জরুরি ফি ৭০০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৯০০০ টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশে আবেদনকারীদের জন্য ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি ৫৫০০ টাকা, জরুরি ফি ৭৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ১০,৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ৭০০০ টাকা, জরুরি ফি ৯০০০ টাকা ও অতীব জরুরি ১২,০০০ টাকা।

মন্তব্য