kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

ক্রেতার অপেক্ষায় কর্মকাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরই কর্মকারদের ব্যস্ততা বাড়ে। এবার ঈদের প্রায় দুই মাস আগেই শুরু হয় বাড়তি ব্যস্ততা। বিভিন্ন ধরনের ছুরি-চাকু তৈরি করে এখন ক্রেতার অপেক্ষায় আছে কর্মকাররা। গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের কর্মকার মার্কেট ঘুরে জানা গেল এসব তথ্য।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোরবারি ঈদ বাজারে চাকু, ছুরি, দা, বঁটির বিক্রি বছরের অন্য সময়ের তুলনায় বেড়ে যায়। তবে এখনো খুব একটা বিক্রি শুরু হয়নি। হাতে গোনা কিছু ক্রেতা আসছে। মূলত ঈদের আগের দিনেই পণ্য বিক্রি বেড়ে যায়।

বর্তমানে চীন থেকে অনেক ধরনের ছুরি-চাকু আমদানি হলেও ঈদের আগে হাতে তৈরি দেশি পণ্যগুলোর চাহিদা বেশি থাকে। অবশ্য এ বছর বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে গেছে বলে জানাল দোকানিরা। কারণ হিসেবে জানা গেল, এবারও ঈদের আগে কয়লার দাম বেড়ে গেছে। স্বাভাবিক সময়ে প্রতি কেজি কয়লা ৪০০ টাকায় পাওয়া গেলেও ঈদের এ সময়ে দাম উঠেছে ৬০০ টাকায়। দিন-রাত এক করে কাজ করতে হয় বলে এ সময় কার্মচারীকে বেতনও দিতে হয় বেশি। একেকজন কর্মচারীকে তিন বেলা খাবার দিয়েও এক হাজার ২০০ টাকা মজুরি দিতে হয়। এই কারণে এ সময় দামও একটু বেশি থাকে বলে জানায় তারা। 

বিক্রেতারা জানায়, ঈদের আগে সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে জবাইয়ের ছুরি, ছোট চাকু, বঁটি, চাপাতি ও কুড়ালের। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, জবাইয়ের ছুরি প্রতিটি আকার ও মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৫৫০ টাকায়। ছোট চাকু প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ১০০-২০০ টাকায়। চাপাতি মান ও আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৭০০ টাকায়। এ ছাড়া বঁটি ৪০০-৬০০ টাকা, চায়নিজ কুড়াল ৫০০-৬০০ টাকায় (দেশি-বিদেশি) বিক্রি করতে দেখা গেছে।

কারওয়ান বাজার কর্মকার মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও বরিশাল হার্ডওয়্যারের বিক্রেতা আলমগীর হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ীই পণ্য তৈরি করে বসে আছি। ক্রেতা আসছে হাতে গোনা। ঈদের আগের দিনই মূলত এসব পণ্যের সর্বোচ্চ বিক্রি হয়। যা চলে প্রায় সারা রাত ধরেই।’

এ বাজারে ছুরি কিনতে আসা এক ক্রেতা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গরু কেনা শেষ করেই ছুরি কিনতে এসেছি। প্রতিবছরই তো ছুরির দরকার হয়।’

পশুর মাংস কাটার জন্য প্রয়োজন পড়ে গাছের গুঁড়ি ও বাঁশের তৈরি চাটাইয়ের। প্রতিটি গুঁড়ি আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৫০-৫০০ টাকায়। আর চাটাই বিক্রি করতে দেখা গেছে ১২০-১৩০ টাকায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা