kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

হাসপাতাল পরিদর্শন মাশরাফির

আগে মেশিন ঠিক করেন, টাকার হিসাব পরে

নড়াইল প্রতিনিধি   

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নড়াইল সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মাশরাফি বিন মর্তুজা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুই ঘণ্টা তিনি হাসপাতালে অবস্থান করেন। এ সময় ডেঙ্গু রোগীসহ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন।

শিশু ওয়ার্ডের জরুরি সেবাকক্ষ পরিদর্শনে গিয়ে নবজাতকের জন্য রাখা ইনকিউবেটর মেশিনের তিনটির মধ্যে দুটি নষ্ট থাকার কথা জানতে পেরে মাশরাফি ক্ষিপ্ত হন। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক, তত্ত্বাবধায়কসহ অন্যদের বলেন, ‘আগে মেশিনগুলো সারানোর ব্যবস্থা করেন। টাকা-পয়সার হিসাব পরে হবে। আগে শিশুদের জীবন রক্ষা করা দরকার। ফান্ড কোথা থেকে আসবে সেটা আমি দেখব।’

গত ২৫ এপ্রিল নড়াইল হাসপাতালে ঝটিকা পরিদর্শনের পর আবার পরিদর্শন করলেন মাশরাফি। তিনি বলেন, চিকিৎসকরা আন্তরিক। তবে পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকায় অনেক ধরনের সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা, রাতারাতি মেটানো সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, এরই মধ্যে স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে নড়াইল হাসপাতালে চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদায়নের ব্যবস্থা করেছেন মাশরাফি।

পরিদর্শন শেষে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, সিভিল সার্জনসহ সবার সঙ্গে হাসপাতালের সেবার মান বিষয়ে আলোচনা করেন মাশরাফি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক আঞ্জুমান আরা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন, সিভিল সার্জন আসাদ-উজ-জামান মুন্সি, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস সাকুর, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামউদ্দিন খান নিলু ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

নড়াইল সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মাশরাফি বিন মর্তুজা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুই ঘণ্টা তিনি হাসপাতালে অবস্থান করেন। এ সময় ডেঙ্গু রোগীসহ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন।

শিশু ওয়ার্ডের জরুরি সেবাকক্ষ পরিদর্শনে গিয়ে নবজাতকের জন্য রাখা ইনকিউবেটর মেশিনের তিনটির মধ্যে দুটি নষ্ট থাকার কথা জানতে পেরে মাশরাফি ক্ষিপ্ত হন। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক, তত্ত্বাবধায়কসহ অন্যদের বলেন, ‘আগে মেশিনগুলো সারানোর ব্যবস্থা করেন। টাকা-পয়সার হিসাব পরে হবে। আগে শিশুদের জীবন রক্ষা করা দরকার। ফান্ড কোথা থেকে আসবে সেটা আমি দেখব।’

গত ২৫ এপ্রিল নড়াইল হাসপাতালে ঝটিকা পরিদর্শনের পর আবার পরিদর্শন করলেন মাশরাফি। তিনি বলেন, চিকিৎসকরা আন্তরিক। তবে পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকায় অনেক ধরনের সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। এটা দীর্ঘদিনের সমস্যা, রাতারাতি মেটানো সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, এরই মধ্যে স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে নড়াইল হাসপাতালে চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদায়নের ব্যবস্থা করেছেন মাশরাফি।

পরিদর্শন শেষে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, সিভিল সার্জনসহ সবার সঙ্গে হাসপাতালের সেবার মান বিষয়ে আলোচনা করেন মাশরাফি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক আঞ্জুমান আরা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন, সিভিল সার্জন আসাদ-উজ-জামান মুন্সি, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব, সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস সাকুর, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামউদ্দিন খান নিলু ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা