kalerkantho

ছুটি শুরু হতেই সিলেটে বসছে পশুর অবৈধ হাট!

সিলেট অফিস   

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এবার সিলেট নগর ও শহরতলিগুলোতে কোনোভাবেই অবৈধ পশুর হাট বসতে না দেওয়ার প্রশাসনের কঠোর ঘোষণার মধ্যেই অন্তত ১৫টি অবৈধ হাট বসানোর পাঁয়তারা চলছে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অবৈধ হাট বসানোর সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছে। সরকারি দপ্তরগুলোর ছুটি শুরু হলেই তারা অবৈধ হাট বসানোর কাজ শুরু করবে। অনেকের শঙ্কা, আজ শুক্রবার থেকেই নগর অবৈধ পশুর হাটে ছেয়ে যাবে।

অন্যদিকে পশুর হাট বসানোর অনুমতির দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেট-তামাবিল সড়ক অবরোধ করার ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এবার কিছুতেই অবৈধ হাট বসতে দেওয়া হবে না।

সিলেটে তিনটি পশুর হাট বসানোর অনুমোদন দিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন। এর মধ্যে নগরের কয়েদীর মাঠ ও টিলাগড় পয়েন্টে দুটি হাট বসানোর অনুমতি রয়েছে। এর বাইরে পশুর বৈধ হাট হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কাজিরবাজারের পশুর হাট। এর বাইরে আর কোনো পশুর হাট বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

তবে গতকাল সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নগরের বালুচর, চৌকিদেখী, মালনীছড়া এলাকায় এরই মধ্যে অবৈধ পশুর হাট বসানো হয়েছে। এ ছাড়া নগরের রিকাবীবাজার, উপশহর, পাঠানটুলা, বাগবাড়ি, আখালিয়া, মদিনা মার্কেট, মীরাবাজার, মেন্দিবাগ, ঘাসিটুলা, দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশীদ চত্বর, বাবনা পয়েন্ট, চণ্ডীপুল, কদমতলী মেজরটিলা এলাকায় অবৈধ হাট বসানোর প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে। সরকারি দপ্তরগুলোতে ঈদের ছুটি শুরু হয়ে যাওয়ায় আজ থেকে এসব হাট চালু করা হবে বলে জানা গেছে।

নগরের বিভিন্ন স্থানে এসব অবৈধ হাট বসানোর নেপথ্যে রয়েছে ক্ষমতাসীন দল ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাদের পাশাপাশি সক্রিয় আছেন বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপির অনেক নেতাও।

নগরের বিমানবন্দর সড়কের চৌকিদেখী এলাকায় আনোয়ারা-মতিন একাডেমির পাশের সড়কের খালি জায়গায় এরই মধ্যে বসানো হয়েছে গরুর হাট। এই হাটের নেতৃত্বে রয়েছেন সিলেট মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য রিমাদ আহমেদ রুবেল। তাঁর সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীরাও রয়েছে। তবে সিটি করপোরেশন বলছে, এ হাটের অনুমোদন তারা দেয়নি।

সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘কেউ যাতে অবৈধ পশুর হাট বসাতে না পারে সে জন্য আমরা পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। প্রশাসনও এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছে।’

মন্তব্য