kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

গতবারের দামই থাকছে এবারও

সব কিছুর বাড়লেও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বাড়ে না

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সব কিছুর বাড়লেও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বাড়ে না

দেশে সব কিছুর দাম বাড়লেও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বাড়ে না। বরং ফি বছর আরো কমানো হয় চামড়ার দাম। এতে করে কোরবানির চামড়া বিক্রির টাকার যারা হকদার সেই গরিব শ্রেণির মানুষজন বঞ্চিত হয়। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে আসন্ন কোরবানির ঈদে পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

এতে লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ঢাকায় প্রতি বর্গফুট ৪৫-৫০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৫-৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়া ১৮-২০ টাকা, বকরির ১৩-১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে চামড়া ব্যবসায়ীদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণসংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চামড়া খাত শিল্পের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, রপ্তানিকারক ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা।

চামড়ার দাম করা প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বাজার দিন দিন ছোট হয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদাও কমে গেছে। কিন্তু চামড়াজাত পণ্যের দাম বেড়েছে। তাই সব কিছু বিবেচনায় গতবারের দামই নির্ধারণ করা হয়েছে।’ একই সঙ্গে চামড়ার মান বাড়ানোরও তাগিদ দেন তিনি।

বৈঠকে চামড়া ব্যবসায়ীরা দেশীয় বাজারে চামড়ার ভালো দাম পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেন। এর জবাবে বাণিজ্যসচিব মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশীয় বাজারে ভালো দাম না পেলে চামড়া রপ্তানির বিষয়টি আমরা চিন্তা করব।’

এদিকে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গতবারের দামে চামড়ার দাম পুনর্নির্ধারণ করার ফলে কাঁচা চামড়া কেনায় এবার ট্যানারি মালিকদের হিমশিম খেতে হবে। কারণ এ বছর ব্যাংক চামড়া খাতে কোনো ঋণ দেয়নি।’ ব্যাংক ঋণ না দেওয়ায় এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকায় ২০১৪ সালে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, ২০১৫ সালে ৫০ টাকা, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং ২০১৮ সালে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া কেনা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা