kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সাপ আতঙ্ক!

রংপুর অফিস   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সবুজে ঘেরা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বাড়ছে বিষাক্ত সাপের উপদ্রব। শিয়াল-কুকুর এবং চোরের চেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে সাপের উৎপাত। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকা ও ক্যাম্পাসের ঝোপঝাড় ঠিকমতো পরিষ্কারের অভাবে দিন দিন বেড়েই চলছে এই উৎপাত। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে এখন আতঙ্কের নাম সাপ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, গত রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মানিক মিয়াকে বিষাক্ত সাপ কামড় দিয়েছে। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই দিন দুপুরে শিক্ষক ডরমেটরির নিচে একটি সাপ দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে সাপটি তাড়াতে গিয়ে একজন শিক্ষক আহত হন। এর আগেও কয়েকবার ওই ডরমেটরির আশপাশে সাপ দেখতে পাওয়া যায়। আবাসিক একজন শিক্ষক বলেন, ‘শিক্ষকদের ডরমেটরিতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা নেই। ডরমেটরির আশপাশে প্রচুর সাপের উৎপাত। এত শঙ্কা নিয়ে বাইরে বের হওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে। এর আগে গত মাসে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অফিসকক্ষ থেকে ছয়-সাতটি সাপের বাচ্চা বের করা হয়। এরও কয়েক দিন আগে একাডেমিক ভবন-৩ থেকে একটি সাপ মারা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় সাপের দংশনে প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।’ এমন পরিস্থিতিতে সাপ নিধনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হল, ছেলেদের হল, সেন্ট্রাল লাইব্রেরি, শিক্ষকদের আবাসিক ভবন, মসজিদ, ক্যাফেটেরিয়া এবং বিভিন্ন একাডেমিক ভবনের আশপাশে প্রচুর সাপের বাসস্থান আছে। গত কয়েক দিনে এসব স্থানে কিছু বিষধর সাপ মারা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা। সাপের আতঙ্কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের অফিসকক্ষ। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আব্দুল্লাহ আল মাহবুব বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রক্টরিয়াল বডিতে আলোচনা করেছি। খুব দ্রুতই প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সমস্যার সমাধানে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা