kalerkantho

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

টেন্ডার ভাগাভাগি নিয়ে দুই ভাগ ছাত্রলীগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের ৫০০ কোটি টাকার কাজ শুরু হয়েছে সম্প্রতি। সেই কাজের টেন্ডার ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই ভাগে বিভক্ত এখন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। নিজেদের দাপট প্রমাণে ক্যাম্পাসে পাল্টাপাল্টি শোডাউন করেছে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি এবং অপর পক্ষের নেতারা। এদিকে মিছিল-মিটিং-স্লোগানে সবাই বহিরাগতমুক্ত ক্যাম্পাস চাইলেও শোডাউনে উভয় পক্ষেই ছিল বহিরাগত ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের অংশগ্রহণ। 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে। একপর্যায়ে দুপুর দেড়টার দিকে পদবঞ্চিত গ্রুপের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের ডায়না চত্বর থেকে একটি মিছিল বের করে। পরে দুপুর ২টার দিকে ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতা-কর্মীরা মোটরসাইকেল শোডাউন ও মিছিল বের করে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ শতাধিক কোটি টাকার উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি টেন্ডারে মোট ৪৩ কোটি টাকার কাজ চলমান, যার সঙ্গে আরো একটি দরপত্রের কার্যাদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার) অপেক্ষমাণ। ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সব টেন্ডার থেকে ৫ শতাংশ টাকা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ বিরোধীদের। আর বিরোধী গ্রুপের নেতারা টেন্ডারের কমিশনের ভাগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। এ নিয়ে দুই দিন ধরে ছাত্রলীগের সঙ্গে স্থানীয় নেতা ও ঠিকাদারদের দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। তবে সমাধানে আসতে না পারায় সোমবার নতুন কমিটি ও পদবঞ্চিতরা পাল্টাপাল্টি শোডাউন করেছে।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি পক্ষের বিরুদ্ধে শোডাউনের নেতৃত্বে থাকা তন্ময় সাহা টনি বলেন, ‘সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক টেন্ডারসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত। আমরা ছাত্রলীগের ইতিবাচক দিককে সমর্থন করব। কিন্তু প্রশাসনের অনৈতিক কাজে তাঁরা সহায়ক হলে আমরা বঙ্গবন্ধুর কর্মী হিসেবে সরাসরি তাঁদের প্রতিহত করব।’

অপরদিকে ছাত্রলীগ সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘টেন্ডারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের কেউ কেউ বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসকে অস্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। এর প্রতিবাদেই আমরা অবস্থান নিয়েছি। ছাত্রলীগ কর্মীদের কাছে শোকের মাসে এমনটি কাম্য নয়। ক্যাম্পাসকে শান্ত রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

মন্তব্য