kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

পঞ্চগড়ের হাটে প্রচুর গরু, তবে দাম চড়া

পঞ্চগড়ের হাটে প্রচুর গরু, তবে দাম চড়া

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোরবানির ঈদ সামনে রেখে জমে উঠেছে পঞ্চগড়ের পশুর হাটগুলো। হাটগুলোতে পশুর আমদানি প্রচুর। দেশি গরুর পাশাপাশি উঠছে ভারতীয় গরুও। তবে দাম তুলনামূলক বেশি হলেও ক্রেতাদের আগ্রহ দেশি গরুতেই। আর তাতে করে লাভবান হওয়ার প্রত্যাশা করছেন খামারিরা।

পঞ্চগড়ের পশুর হাটের অন্যতম হলো সদর উপজেলার রাজনগর, বোদা উপজেলার নগরকুমারী, মাড়েয়া ও পাঁচপীর; তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান, আটোয়ারী উপজেলার ফকিরগঞ্জ এবং দেবীগঞ্জ উপজেলার কালীগঞ্জ, ভাউলাগঞ্জ ও লক্ষ্মীর হাট। তবে ঈদের আগে অস্থায়ীভাবে কোথাও কোথাও পশুর হাট বসে।

সম্প্রতি পঞ্চগড়ের পশুর হাটগুলো ঘুরে দেখা যায় প্রচুর গরু উঠছে। দামও গত বছরের তুলনায় অনেকটা বেশি। ঈদের দিন ঘনিয়ে আসায় ক্রেতার ভিড়ও বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, হাটগুলোতে দেশি গরুর সঙ্গে ভারতীয় গরুও অনেক। এসব গরু পঞ্চগড়ের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে আনা হয়েছে। মাঝারি আকৃতির একটি দেশি গরু বিক্রি হচ্ছে ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকায়। একই আকারের ভারতীয় গরু বিক্রি হচ্ছে সামান্য কম দামে। তবে দাম কিছুটা বেশি হলেও ক্রেতারা সাধ্যের মধ্যে দেশি গরুই কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। তবে দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ক্রেতাদের নতুন করে ভাবতে হচ্ছে।

এদিকে জেলার প্রতিটি হাটেই গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভ্রাম্যমাণ ভেটেরিনারি টিম নিযুক্ত করেছে জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও সেবা দিচ্ছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, এবার জেলায় গরু, ছাগল ও মহিষ প্রস্তুত রয়েছে ৬৬ হাজার ৭৪টি। এর মধ্যে গরু-মহিষ ৪৮ হাজার ৩১৮ এবং ছাগল ১৭ হাজার ৭৫৬টি। সে হিসাবে স্থানীয় চাহিদার চেয়ে ১০ থেকে ১২ হাজার বেশি কোরবানির পশু রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ দাস বলেন, ‘পঞ্চগড়ের মানুষের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি পশু প্রস্তুত আছে। এখানে ৪০ থেকে ৫০ হাজার পশু কোরবানির চাহিদা রয়েছে। প্রস্তুত আছে ৬০ হাজারেরও বেশি। তবে পঞ্চগড়ে খামারির সংখ্যা কম। বেশির ভাগই ব্যক্তিগতভাবে গরু পালন করে থাকেন। এবার তাঁরা ভালো দাম পাচ্ছেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা